ধর মঘট অচল প ক স: সার্বিক বিপর্যয় ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পরিস্থিতি
ধর মঘট অচল প ক স কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে
ধর মঘট অচল প ক স ত – পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ধর মঘট অচল প ক স তে ঘোষিত ধর্মঘটের ফলে শহর ও গ্রামগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। সংঘর্ষে অন্তত এক দশক ধরে সামাজিক গোলযোগ থাকার পর এই ধর্মঘট আরও জটিল করে তুলেছে। মুজাফফারাবাদ ও রাওয়ালাকোট শহর বাদে অন্যান্য এলাকাতেও দুর্গম পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। রাস্তাঘাটে জনশূন্যতা ও অলোকাবিষ্ট অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া উত্থানের স্থান করে দিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অনেক কর্মচারী ও মানুষ আহত হয়েছেন, যার প্রতিক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষ ধরপাকড় অভিযান শুরু করে। সরকার আঞ্চলিক নেতাদের রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা করে এবং এক কোটি পাকিস্তানি রুপি পুরস্কার ঘোষণা করে।
মুজাফফারাবাদের বাসিন্দা জাহিদ আমিন বলেন, প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের শহর মুজাফরাবাদ সম্পূর্ণ জনশূন্য ও প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। সব দোকানপাট, বাজার, অলিগলি ও বাণিজ্যিক এলাকা বন্ধ রয়েছে। এই অচল পরিস্থিতি দেখা দেয়ার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা মুক্তি আন্দোলনের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করছেন না, তবে পরিস্থিতি পরিবর্তনের দরকার বলে মনে করছেন।
এই ধর্মঘট আগে থেকে পাকিস্তান বিরোধী চাপে পড়েছে, যার ফলে শাসন ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া সব ক্ষেত্রে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ধর্মঘটে আহত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকে রক্তক্ষয় হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সামনে এই বিক্ষোভ আগে থেকে কর্তৃপক্ষের সাথে তীব্র বিরোধ বিস্তার করেছে। এই অবস্থার কারণে বিশেষ করে মুজাফফারাবাদে বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন বিপন্ন হয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বিশেষ করে কাশ্মীর সম্পর্কে বিতর্ক বাড়ানো বিষয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অনেক দাবি শোনা যাচ্ছে।
সম্প্রতি ঘটনা ও সরকারের প্রতিক্রিয়া
গত রোববার রাওয়ালাকোট শহরে ধর্মঘটের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন নিহত হন। এই ঘটনা পর থেকে সরকার ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান শুরু করে। আঞ্চলিক সরকার নিষিদ্ধ জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কিমিটির চার শীর্ষ নেতাকে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আটক করার আদেশ জারি করেছে। সরকার নেতাদের গ্রেফতারে এক কোটি পাকিস্তানি রুপি পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।