International

হরমুজে মার্কিন বাহিনীকে রুখে দেয় ইরানের ‘মশা নৌবহর’

og_1781539782_6a3023c6bd00a

হরমুজে মার্কিন বাহিনীকে রুখে দেয় ইরানের ‘মশা নৌবহর’

Bangladailypost.com – হরম জ ম র ক ন ব – গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা ঘোষণা করে, যখন জেনেভায় ইউরেনিয়াম এবং ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কে আলোচনা চলছিল। ইরান প্রতিক্রিয়া দেয় এবং ৩৯ দিনে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত হয় এ আক্রমণের ফলে মার্কিন বাহিনী বেকায়দায় পড়ে।

১৩ এপ্রিল নৌ-অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র, যা হরমুজে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য করা হয়। এই সরু জলপথে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য মশা নৌবহর। এগুলো ছোট আক্রমণকারী নৌযান এবং তাদের দ্রুত গতি তাদের আক্রমণের ক্ষমতা বাড়িয়েছে।

ইরানের কাছে এমন ১,৫০০টির বেশি ছোট নৌযান রয়েছে যা ১০ টনের কম ওজন বহন করে। এদের লক্ষ্য হলো সংখ্যার মাধ্যমে ব্যাপক আক্রমণ সৃষ্টি করা। এগুলো ৫০ থেকে ১১০ নট গতিতে চলতে সক্ষম এবং তাদের গতি ও কৌশলগত চলাচলের মাধ্যমে আক্রমণের সময়সীমা দ্রুত করে।

হেইদার-১১০: বিশ্বের দ্রুততম যুদ্ধ নৌযান

২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি হেইদার-১১০ নামে একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌকা উন্মোচন করে আইআরজিসি-এর নৌবাহিনী। এটি সর্বোচ্চ ১১০ নট গতি বহন করে (প্রায় ২০৩ কিমি/ঘণ্টা) এবং বিশ্বের দ্রুততম সামরিক নৌযানে পরিণত হয়। নৌযানটি প্রায় ১৪ মিটার লম্বা এবং দুটি অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। এর কার্যক্ষম রেঞ্জ প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

এটি স্টেলথ প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে, ফলে রাডারে শনাক্ত করা কঠিন। ইরানের নৌবাহিনীতে বিভিন্ন ধরনের দ্রুতগতির নৌকা রয়েছে যা একত্রে ‘রেড ওয়াস্প’ লাল বোলতা বহর বলে পরিচিত। আশুরা ক্লাস নৌযান প্রায় ৯০ নট গতি বহন করে। সেরাজ ক্লাস নৌযান গতি প্রায় ৬৫ নট। টন্দার ক্লাস নৌযান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে। মানববিহীন নৌযান দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত আক্রমণ চালাতে সক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *