ইরানের জন্য সু-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রস্তুতি চালু রাশিয়া
ইর ন র জন য ৪৮ট স – ইরানের জন্য সু-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রস্তুতি কারখানায় চালু হয়েছে এবং রাশিয়া এই বিমান উৎপাদন কমানোর সময় ইরানের জন্য মোট ৪৮টি বিমান সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। রাশিয়ার কমসোমলস্ক-অন-আমুর এভিয়েশন প্ল্যান্ট এখনও ইরানের জন্য ২০টি সু-৩৫ বিমান প্রস্তুত করেছে এবং আরও ২৮টি অর্ডার রয়েছে। এই প্রস্তুতির ফলে ইরানের বিমান বাহিনীতে সু-৩৫ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধবিমান প্রস্তুতি বাড়ানো একটি সুবিধামূলক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হচ্ছে কারণ এটি রাশিয়ার সামরিক উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রতি সামর্থ্য দেখানো হচ্ছে
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রপ্তানি উভয়ই সামাল দেওয়ার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।
রুশ কর্মকর্তারা বলেছেন যে দেশটি নিজেদের বাহিনী এবং বিদেশী ক্রেতার জন্য উৎপাদন কাজটি কম চাপে রাখতে পারে। ইরানের জন্য সু-৩৫ বিমান উৎপাদন কারখানা এখন পর্যাপ্ত গতি সৃষ্টি করছে। এই প্রস্তুতির ফলে ইরানের বাহিনী একটি সামরিক বিপ্লবের মুখোমুখি হতে পারে।
পূর্বের বিদেশী ক্রেতার তালিকা
পূর্বে সু-৩৫ এর একমাত্র বড় বিদেশী ক্রেতা ছিল চীন। ২০১৫ সালে চীন ২৪টি সু-৩৫ বিমান ক্রয় করেছিল। এছাড়া অন্যান্য দেশের জন্য বিমান প্রস্তুত হয়েছিল, যেমন আলজেরিয়া ও ইথিওপিয়া। আলজেরিয়া প্রায় ১৮টি এবং ইথিওপিয়া ৬টি সু-৩৫ বিমান কিনেছে। তবে এগুলো মিশরের বাতিল হওয়া অর্ডারের পুনরুত্পন্ন পরিমাণ।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও বিশ্লেষণ
রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের জন্য বিমান সরবরাহ কমানো ছাড়াও দেশটি একই সময়ে সু-৩০এসএম২ ও সু-৫৭ বিমান উৎপাদন করছে। ইরান সম্প্রতি আরও ১২টি সু-৩০এসএম২ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সু-৫৭ প্রস্তুতির আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিমানবাহিনীতে বর্তমানে ৩০০টির বেশি পুরোনো যুদ্ধবিমান রয়েছে। এই পুরোনো বিমানগুলির কারণে ইরান ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অর্ডার দিতে পারে।
এই পরিকল্�