পাঁচ দশকের চলচ্চিত্র পথচলার অবসান
৭৩ বছর ম ত য থ ম – তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় জন্মগ্রহণ করা কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ ছিলেন একজন চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল শিল্পী। তাঁর জীবনের সারাংশ চলচ্চিত্র নির্মাণে যোগদান এবং সামাজিক বাস্তবতা এবং পারিবারিক গল্প সম্পর্কে সৃষ্টি করা সমাদৃত হন। তাঁর শিল্প কর্মজীবনে সাধারণ মানুষের স্বাধীন মনোভাব এবং আবেগ পর্দায় প্রকাশ করার জন্য তাঁকে বিশেষভাবে জানা যায়।
তামিল চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর অবদান স্মরণ করা যায় যখন তিনি পাঁচ দশকের কর্মজীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং অভিনয়ে নিজেকে পরিচয় দেন। তাঁর বিশেষ চিত্রনাট্য রচনা করা হয়েছে যা তামিল নাট্য সংস্কৃতির মূল চুলি হিসেবে পরিচিত। অনেক ক্ষেত্রে তাঁর ছায়া দ্বারা একটি নির্দিষ্ট চরিত্র বা সমাজ সমস্যা সম্পর্কে বিষয় সৃষ্টি করেন। এ কারণে তিনি নিজেকে নিজের পরিচয় দেন সামাজিক অস্ত্র হিসেবে।
৭৩ বছর বয়সে তিনি নিজের চলচ্চিত্র কর্মজীবনে গুরুতর ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে সামান্য কাজ ও সমাজ জীবন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মান অর্জন করেন। সামাজিক মানুষের বাস্তব সমস্যা ও আনন্দ সম্পর্কে তাঁর স্বাধীন চিত্রনাট্য পর্দায় তুলে ধরেন। এ কারণে তাঁকে চিত্রনাট্যের সম্রাট হিসেবে সমাদৃত হন।
কর্মজীবনের শুরু ও আবির্ভাব
তিনি নিজেকে অভিনেতা হিসেবে সমাজ চেতনা সৃষ্টি করেন আশির ও নব্বইয়ের দশকে। এ পর্যায়ে তাঁর জীবনের প্রথম দিনগুলি চলচ্চিত্র নির্মাণের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। যাইহোক, তাঁর সামাজিক বাস্তবতা ও পারিবারিক গল্পের প্রতি আগ্রহ তাঁর চলচ্চিত্র কর্মজীবনে সংযুক্ত করে তোলে।
তামিলনাড়ুর সামাজিক শিল্পী হিসেবে তিনি নিজেকে পরিচয় দেন যখন তাঁর চিত্রনাট্য প্রকাশ করেন। এ ছাড়া তাঁর সামান্য কাজ সম্পর্কেও পরিচিত হন। তাঁর শিল্প কর্মজীবন তামিল চলচ্চিত্র জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিবার এবং বিবাহ বিয়ে
তামিল চলচ্চিত্রের অভিনেতা কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ এর পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ এবং দুই সন্তান—অভিনেতা শান্থনু ভাগ্যরাজ ও সারান্যা ভাগ্যরাজ। এ বিষয়ে তিনি বিবাহের প্রতি গুরুত্ব দেন যা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে পরিচয় দেয়।
৭৩ বছর বয়সে তিনি অভিনেত্রী খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের অ