যে কারণে ২০১৬ সালের পর থেকে জন্মদিনে কেক কাটেন না জয়া আহসান
য ক রণ ২০১৬ স ল র – জয়া আহসান বাংলার দুই অংশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। তাঁর অভিনয় দক্ষতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে না কেউ, কিন্তু তাঁর মানবিক উদ্যোগ এবং জীবনযাপনের দর্শন তাঁকে একটি বিশেষ স্থান দাবী করে নিয়েছে।
১ জুলাই তাঁর জন্মদিন হলেও একসময় তিনি কেক কাটতেন না, কারণ বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর উদ্যোগ অনুসরণ করেন। তিনি নিজে কেক কাটেন না, সেগুলো ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের ও পরিচিত মানুষদের মধ্যে বিতরণ করে দেন। এই অভ্যাস বদলে ফেলেন তিনি ২০১৬ সালের হোলি আর্টিজান হামলার পর থেকে।
বাংলার গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করা জয়া আহসানের পিতা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাম এ এস মাসউদ, মাতা ছিলেন শিক্ষিকা রেহানা মাসউদ। ছোট বয়েস থেকেই তিনি নাচ, গান এবং ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ দেখাতেন। পরবর্তী সময়ে সেই আগ্রহের ভিত্তিতে তিনি শিল্পীজীবন গড়ে তুলেছেন।
অভিনয়ের প্রথম পদক্ষিণ হয় ২০০৪ সালে ব্যাচেলর ছায়াচিত্রে। যদিও বড় পর্দায় অভিষেক হওয়ার আগে তিনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন এবং একটি সংগীত বিদ্যালয়ও পরিচালনা করতেন। তাঁর সারাংশ হিসেবে এক বছর পর তিনি গেরিলা চলচ্চিত্রে বিলকিস বানু চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ প্রশংসা পেয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের জন্মদিনেও তিনি পথকুকুরদের খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে আসছেন। এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ তাঁর প্রতি ভক্তদের কাছে আরও প্রিয়তা বাড়িয়েছে। এছাড়া তিনি নারী ও শিশু অধিকার, প্রাণী কল্যাণ এবং সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমেও নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন।
জয়া আহসানের অভিনয় ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্থান দাবী করে না কেউ, কিন্তু তিনি চরিত্র নির্বাচনে বৈচিত্র্য এবং নতুন পরিচয় প্রদানের জন্য পরিচিত। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর একটি সম্মান প্রাপ্ত মানবিক অবদানও সুবিশেষ। এখন পর্যন্ত তিনি পাঁচটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার পুরস্কার সহ অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন।