শেকৃবি আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে দেশের শীর্ষ স্থান অর্জন
র স র চ ডটকম র য গবেষণা সক্ষমতা ও একাডেমিক মান বিষয়ে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে নতুন সাফল্য লাভ করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। রিসার্চ ডটকমের নতুন সংস্করণে এই র্যাঙ্কিংয়ে শেকৃবি দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে। এই সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জনে কাছাকাছি পৌঁছেছে।
র স র চ ডটকমের র্যাঙ্কিং কীভাবে হয়েছে
রিসার্চ ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিং বিষয়ে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার গুণমান এবং প্রকাশিত প্রবন্ধের সংখ্যা অনুযায়ী করা হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রিসার্চ ডটকমের মূল্যায়নে শেকৃবির চারজন প্রধান গবেষকের নেতৃত্বে মোট ৬৬০টি উচ্চমানের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সমস্ত প্রবন্ধের এইচ-ইনডেক্স স্কোর মোট ১৬৫। এই সংখ্যা সহ বিশ্ববিদ্যালয়টি এই র্যাঙ্কিংয়ে সাফল্য অর্জনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য।
তিনি আরো বলেন, আগে আমাদের তথ্য আন্তর্জাতিক ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বর্তমানে তথ্য সংযোজিত হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও ভালো প্রতিযোগিতায় জায়গা পেতে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শেকৃবির গবেষণাগত প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক সার্ভিস প্রদানের জন্য অবশ্যই সঠিক দাবি করছে।
রিসার্চ ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং তৃতীয় স্থানে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) অবস্থিত। শেকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক চেষ্টার ফলে এ সাফল্য হাসিল হয়েছে। তিনি বলেন, গবেষণামুখী প্রকল্পগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল মান প্রমাণ করছে।
রিসার্চ ডটকমের মাধ্যমে শেকৃবির গবেষণা প্রবন্ধগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান দেশের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্বাধিক গবেষণামুখী কর্মকাণ্ডের ফলে এ সাফল্য পেয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতকৃত অনুসন্ধান এবং প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি কর্মসূচির জন্য নির্ভরশীল।
গবেষণার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া
রিসার্চ ডটকম র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার মান এবং প্রকাশিত প্রবন্ধের সংখ্যা দ্বারা মূল্যায়ন করে। শেকৃবির সফলতা তাদের গবেষণার কৌশল এবং শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শাখায় জড়িত কর্মকাণ্ডের ফলে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কৃষি প্রকল্প সহ সামগ্রিক গবেষণার স্বাক্ষর