হেলিকপ্টার নিবন্ধন-ফিটনেস নবায়নে অগ্রিম কর বৃদ্ধি, ভাড়া বাড়বে
হ ল কপ ট র ন বন – বর্তমানে দেশের হেলিকপ্টার পরিবহন খাতে নতুন করে ব্যয় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা উপস্থিত হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে হেলিকপ্টারের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের আগে অগ্রিম কর আদায়ের জন্য কর্তৃপক্ষকে ১০ লাখ টাকা চালান দিতে হবে। যদি চালান ছাড়া নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করা হয় না তবে দেশের আকাশে হেলিকপ্টার পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
বাজেট সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, সরকার রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে চাইছেন এবং উচ্চমূল্যের সম্পদের মালিকদের কর নেটে আনতে চাইছেন। সূত্র জানায়, বর্তমানে আগামী অর্থবছরে হেলিকপ্টারের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় অগ্রিম কর দিতে হবে। প্রথম বছরে কর পরিশোধের পাশাপাশি পরবর্তী বছরগুলোর জন্য অগ্রিম কর সংশ্লিষ্ট বছরের ৩০ জুন বা তার আগে পরিশোধ করতে হবে।
বর্তমানে দেশে করপোরেট যাতায়াত, জরুরি চিকিৎসাসেবা, ভিআইপি পরিবহন এবং বিভিন্ন বিশেষ কাজে হেলিকপ্টারের ব্যবহার প্রতিদিন ৮০ থেকে ১২০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। আবহাওয়া ও চাহিদার ভিত্তিতে এ সংখ্যা ওঠানামা করে। নির্বাচনকাল, শিল্পকারখানা পরিদর্শন বা জরুরি চিকিৎসার সময় ফ্লাইট সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অনুমোদন নিয়ে প্রায় ২৫টি প্রতিষ্ঠান হেলিকপ্টার চার্টার ও অপারেশন সেবা দিচ্ছে। এখন দেশে বেসরকারি খাতে কোনো হেলিকপ্টার নিয়মিত পরিচালনায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে আগামী অর্থবছরে হেলিকপ্টার নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের জন্য ১০ লাখ টাকা অগ্রিম কর দিতে হবে বলে বাজেটে প্রস্তাব রয়েছে।
হেলিকপ্টার সেবা পরিচালনাকারীদের সংগঠন এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি) বলেছেন, আগামী অর্থবছরে কর আদায়ের জন্য বিমান চলাচল খাতে পরিচালন ব্যয় এবং জ্বালানি মূল্যের বৃদ্ধি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই বাজেট থেকে ওই প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
হেলিকপ্টার চালানোর সময় আগামী অর্থবছরে সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইন্সের বহরে সাতটি এবং মেঘনা এভিয়েশনের বহরে ছয়টি হেলিকপ্টার রয়েছে। এছাড়া