জাতীয় বাজেটে সকলের জন্য প্রতিফলন করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
এব র র ব জ ট প – ১২ জুন রাজধানীতে আয়োজিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেন যে এবারের বাজেট দেশের প্রতিটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাজেটে কোনও শ্রেণি, পেশা, ধর্ম বা গোষ্ঠীকে বাইরে রাখা হয়নি। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ এবং প্রয়োগের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপট অন্য সময়ের তুলনায় ভিন্ন। দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন করা হয়নি। তবে নতুন সরকার গঠনের পর সমাজের প্রত্যাশা এবং আকাঙ্ক্ষা বেশি হয়েছে। সেই প্রত্যাশার মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে।
সামাজিক বিভিন্ন গোষ্ঠী ও শ্রেণি থেকে মতামত গ্রহণের চেষ্টা করা হয়েছে। এর ফলে বাজেটে সব মানুষের আকাঙ্ক্ষা অনুসারে কর্মসূচি রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। কর্তৃত্ববাদী শাসনের দীর্ঘ দেড় দশক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার পরিণতির মুখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট তৈরি করেছে।
বাজেট প্রস্তুতের জন্য সাধারণত ছয় মাস সময় প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমান সরকার মাত্র দুই মাসের মধ্যে সম্পন্ন করেছে। এটি ছিল চ্যালেঞ্জ এবং সরকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষদের মতামত গ্রহণের প্রয়াস করেছে।
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পূর্বে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকেন্দ্রিক ছিল। আজকাল সেই কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে বাজেট আর্থিক ধারণাকে সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফিরে আনার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়ম ভিত্তিক ব্যবস্থা থেকে সুরক্ষাবাদী ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ইত্যাদি কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়েছে। তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ছে।
বাজেটের চারটি মানদণ্ড
ভবিষ্যতে সরকারি ব্যয় ও উন্নয়ন প্রকল্পের মূল্যায়নে চারটি মূল মানদণ্ড গুরুত্ব পাবে। তা হল— অর্থের যথাযথ ব্যবহার, বিনিয়োগের প্রতিফলন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রতিটি প্রকল্প ও ব্যয় এই চারটি ক্ষেত্রে বিচার করা হবে।
পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া সংকট ও বৈশ্বিক �