Economy

মাসরুর রিয়াজ / ছয় কৌশলে তৈরি পোশাক থেকে আসতে পারে ১০০ বিলিয়ন ডলার

ম সর র র য় জ ছয় - পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মাসরুর রিহাজ এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, বর্তমান

Desk Economy
Published July 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. তৈরি পোশাক খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে রূপান্তরের নতুন কৌশল
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

তৈরি পোশাক খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে রূপান্তরের নতুন কৌশল Bangladailypost.com – ম সর র র য় জ ছয় – পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান

তৈরি পোশাক খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে রূপান্তরের নতুন কৌশল

Bangladailypost.com – ম সর র র য় জ ছয় – পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মাসরুর রিহাজ এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, বর্তমান সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল থাকলে তৈরি পোশাক খাতকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত করা সম্ভব হবে না। চার দশক ধরে এই খাতটি রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে রিহাজের মতে, রপ্তানির ক্ষেত্রে অতি নির্ভরতা এখন নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও অর্জন

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে বেসরকারি খাতনির্ভর উন্নয়ন ও রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত দেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে রপ্তানিমুখী অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করেছে। আশির দশকের শুরুতে উৎপাদন খাতের অবদান ছিল জিডিপির মাত্র ৮ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিবর্তনের প্রধান ভিত্তি তৈরি করেছে পোশাক শিল্প।

বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি ঝুঁটির ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এটি দেশের সবচেয়ে বড় উৎপাদন খাত, বৃহত্তম আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের উৎস এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান মাধ্যম।

ছয়টি প্রধান কৌশল

বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্জনের জন্য ড. মাসরুর রিহাজ ছয়টি প্রধান কৌশলের কথা তুলে ধরেন।

প্রথম কৌশল: বাণিজ্য সুবিধা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে হবে। কাস্টমস, অবকাঠামো ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার সংস্কারের মাধ্যমে দ্রুত ও কম খরচে পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয় কৌশল: লজিস্টিকস অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। বন্দর সক্ষমতা, মাল্টিমোডাল পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি।

তৃতীয় কৌশল: বিনিয়োগ ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে নীতিগত সহায়তা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে উচ্চমূল্যের পণ্য, ম্যান-মেড ফাইবার ও নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

চতুর্থ কৌশল: টেকসই উন্নয়ন ও সার্কুলার ইকোনমির জন্য জাতীয় কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

পঞ্চম কৌশল: প্রযুক্তি গ্রহণ ও দক্ষতা উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়াতে হবে।

ষষ্ঠ কৌশল: শিল্পের ভবিষ্যৎ চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।

বৈশ্বিক পোশাক বাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, বাইরে নতুন চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় সক্ষমতা, প্রযুক্তি, উৎপাদনশীলতা, বাজার বৈচিত্র্য ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

বাজার ও পণ্য নির্ভরতা চ্যালেঞ্জ

রিহাজ বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে পণ্য ও বাজার উভয় ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত নির্ভরতা রয়েছে। বর্তমানে কয়েকটি পোশাক পণ্যই মোট আরএমজি রপ্তানির বড় অংশ দখল করে আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন বাজারে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি যায়। এসব বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কোনো কারণে এসব অর্থনীতিতে সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

রিহাজ বলেন, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, চীনসহ এশিয়ার অন্য বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে নতুন বাজার অনুসন্ধান ও বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে রপ্তানি সম্প্রসারণ করতে হবে।

এলডিসি উত্তরণ ও শুল্ক চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ বর্তমানে যেসব বাজারে শুল্ক সুবিধা পাচ্ছে, তার বড় অংশই এলডিসি সুবিধার আওতাভুক্ত। ২০২৬ বা ২০২৯ সালের পর এসব সুবিধা কমে গেলে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রিহাজ। তিনি বলেন, যথাযথ প্রস্তুতি না নিলে এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বর্তমান রপ্তানির ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে।

ম্যান-মেড ফাইবার ও বাণিজ্য চুক্তি

রিহাজ বলেন, বৈশ্বিক পোশাক বাজার এখন ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) নির্ভর হয়ে উঠছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ পোশাক ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক হলেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে এর অংশ মাত্র ২৮ শতাংশ। বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বর্তমানে এ খাতের প্রায় ৯০ শতাংশ কাঁচামাল ও মূল্য সংযোজনকারী উপাদান আমদানিনির্ভর। তাই দেশে এ ধরনের সক্ষমতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিসহ (ইপিএ) বিভিন্ন বাণিজ্য সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করেন রিহাজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমানে কার্যকর বাণিজ্য চুক্তির সংখ্যা খুবই সীমিত। অন্যদিকে ভিয়েতনামের ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রায় ১৬টি কার্যকর এফটিএ রয়েছে এবং ভারতেরও রয়েছে একাধিক বাণিজ্য চুক্তি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা শেষ হওয়ার পর গড়ে ১০ থেকে ১২ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হতে হতে পারে। তাই বিকল্প বাণিজ্য সুবিধা নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

রিহাজ বলেন, শুধু এলডিসি উত্তরণ নয়, জ্বালানি, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতার মতো মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারলেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক থেকে বিশ্বের শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করবে।

Frequently Asked Questions

Apa itu ম সর র র য় জ ছয়?

ম সর র র য় জ ছয় adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa ম সর র র য় জ ছয় penting?

ম সর র র য় জ ছয় penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan ম সর র র য় জ ছয় ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment