জ্বালানি নিরাপত্তা / দরপত্র ছাড়াই কেনা হচ্ছে ১৬ লাখ টন ডিজেল
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীলতা কারণে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার
জ ব ল ন ন র পত – বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ঘটে যাওয়া অস্থিতিশীলতার কারণে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশের জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলি জ্বালানি সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) তাদের প্রস্তাব গ্রহণের জন্য আহ্বান করে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও কৃষি খাতে সম্পৃক্ত ডিজেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ে প্রস্তাব আলোচনা করা হবে। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা দূর করার উদ্দেশ্যে বিস্তারিত পরিকল্পনা। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ প্রস্তাবগুলোর নীতিগত অনুমোদন চাওয়া হবে।
অনুমানে এ আমদানিতে সম্ভাব্য ব্যয় হবে ১৬ হাজার ১৭৪ কোটি ৭২ লাখ ১০ হাজার টাকা। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও বৈদেশিক মুদ্রার হার পরিবর্তনের কারণে চূড়ান্ত ব্যয় বেশি বা কম হতে পারে। সরবরাহ করা হবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে।
ডিপিএম মাধ্যমে আমদানি প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে বিপিসি
১৫ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) গঠন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলির চালান মূল্য জাহাজে পণ্যবোঝাইয়ের তারিখে আরব উপসাগর ভিত্তিক জ্বালানি মূল্যসূচকে প্রকাশিত দামের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা, শিল্পকারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং পরিবহন ও কৃষি খাতে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ �