Economy

এডিবির পূর্বাভাস / ২০২৬ সাল শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৭ শতাংশ

এডিবির পূর্বাভাস: ২০২৬ সাল শেষে বাংলাদেশের গ্রোথ হতে পারে ৩.৭ শতাংশ এড ব র প র ব ভ - জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) রিপোর্টে বাংলাদেশের

Desk Economy
Published July 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

এডিবির পূর্বাভাস: ২০২৬ সাল শেষে বাংলাদেশের গ্রোথ হতে পারে ৩.৭ শতাংশ

এড ব র প র ব ভ – জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) রিপোর্টে বাংলাদেশের জাতীয় উৎপাদনের হার এখন পর্যন্ত ৩.৭ শতাংশ হতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর পরবর্তী বছর গ্রোথ হার কিছুটা উন্নত হতে পারে এবং ৪.৫ শতাংশে পৌঁছতে সম্ভব। এই পরিবর্তন হয়েছে কারণ রপ্তানি গতিবিধি হ্রাস, বেসরকারি বিনিয়োগ মন্দাভাব, উচ্চ জ্বালানি মূল্য, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি চাপ এবং বৈরী আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি।

এডিবি বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের প্রধান আকিরা মাৎসুনাকার মতে, প্রতিকূলতা পরিস্থিতি সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গৃহস্থ খাতের স্থিতিশীলতা এবং শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ বাংলাদেশ জাতীয় গ্রোথ বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

‘শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীলতার কারণে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা দেখাচ্ছে।’

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি হার এখনও ৯ শতাংশে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি গত এপ্রিলে প্রকাশিত পূর্বাভাসের সাথে মিলে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, পেট্রোলিয়াম, গ্যাস এবং বিদ্যুতের দাম সাম্প্রতিক সমন্বয়ের প্রভাব ইউটিলিটি খাত এবং অন্যান্য ভোক্তা মূল্যের ওপর বজায় থাকবে।

২০২৭ সালে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮.৮ শতাংশে পৌঁছতে পারে বলে আশা করা হয়েছে। এটি এপ্রিলে প্রাক্কলিত ৮.৫ শতাংশের চেয়ে বেশি হতে পারে। উচ্চ জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়, বিনিময় হারের প্রভাব এবং খাদ্য খাতে স্থায়ী মূল্যস্ফীতির দ্বিতীয় পর্যায়ের চাপ জুড়ে দেবে মূল্যস্ফীতি হ্রাসের গতি ধীর হতে পারে।

২০২৬ অর্থবছরে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীলতা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ কঠোর সামষ্টিক-আর্থিক পরিস্থিতির মধ্যেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কাজ করছে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি মা�

Leave a Comment