Economy

এআইয়ের সুফল লুফে না নিলে উন্নয়নশীল দেশগুলো পিছিয়ে পড়বে: বিশ্বব্যাংক

এআইয় র স ফল ল ফ ন - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃষ্ট সুযোগগুলো কাজে না লাগালে উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে সতর্ক করে

Desk Economy
Published August 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা: এআই সুযোগ হাতছাড়া করলে উন্নয়নশীল জগৎ পিছিয়ে পড়বে
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা: এআই সুযোগ হাতছাড়া করলে উন্নয়নশীল জগৎ পিছিয়ে পড়বে

Bangladailypost.com – এআইয় র স ফল ল ফ ন – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃষ্ট সুযোগগুলো কাজে না লাগালে উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো এমন কাজ সম্পন্ন করতে পারবে যা আগে শতাব্দী ধরে সময় নিত। তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের শর্ত রয়েছে। সরকারগুলোকে অবশ্যই বিদ্যুৎ সরবরাহ, ডিজিটাল সংযোগ, দক্ষ জনশক্তি এবং প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোগত ঘাটতি দূর করতে হবে। এতে ব্যর্থ হলে উন্নয়নশীল দেশগুলো পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ছই আগস্ট তারিখে ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ‘দ্য প্রমিজ অব আর্টিফিসিৗল ইন্টেলিজেন্স’ নামক প্রতিবেদন সম্পর্কে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উন্নত দেশগুলোতে জেনারেটিভ এআইয়ের কারণে চাকরি হারানোর ঝুঁকি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। উন্নত দেশগুলোতে বর্তমান চাকরির ১৪.২ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে, অন্যদিকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই হার মাত্র ৪.৫ শতাংশ।

একই সময়ে উন্নয়নশীল অর্থনীতির ১৬.২ শতাংশ চাকরি এআইয়ের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে, যা উন্নত দেশগুলোতে প্রত্যাশিত ১৮.৭ শতাংশের কাছাকাছি। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো কর্মীদের প্রতিস্থাপন করা নয়, বরং তাদের কাজের ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে তোলা।

এআই উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য একটি জীবনরেখা নিয়ে এসেছে এবং তাদের এটি লুফে নেওয়া উচিত। এর সুফল পেতে তাদের বড় মডেল বা বিশাল ডেটা সেন্টারের প্রয়োজন নেই।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিল এই মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, ছোট ও কম খরচে পাওয়া এআই টুলগুলোকে স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে তারা কোটি মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, বিচার বিভাগীয় সেবা এবং কৃষি সম্প্রসারণ সেবা পৌঁছে দিতে পারে।

ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০২৬-এর মূল বার্তা

ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০২৬ দেখিয়েছে কীভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো এর প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে এবং সফল হচ্ছে। এই প্রতিবেদনটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর এআইয়ের প্রভাব নিয়ে প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন। এতে দেখা গেছে, এই দেশগুলোর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সরকারগুলো এরই মধ্যে এআই ব্যবহার শুরু করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এআই এরই মধ্যে মানুষের সমস্যা সমাধান, তথ্য বিশ্লেষণ, পূর্বাভাস উন্নত করা এবং বড় পরিসরে সেবা প্রদানে সাহায্য করছে। এসব সমস্যা এমন সব দেশে অত্যন্ত মূল্যবান, যেখানে দক্ষ পেশাদার, নির্ভরযোগ্য নথিপত্র এবং জনবলের সক্ষমতা প্রায়শই সীমিত থাকে।

এআই টুলগুলো চিকিৎসকদের জন্য রোগীদের রোগ নির্ণয় করা, কৃষকদের ফসলের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে আরও উৎপাদনশীল হয়ে ওঠা সহজ করে তুলতে পারে। সরকারগুলোও কর সংগ্রহ, সামাজিক কর্মসূচি, দুর্যোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির জন্য এআই ব্যবহার করতে পারে।

প্রবৃদ্ধি ও চ্যালেঞ্জের সমন্বয়

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো বর্তমানে গত তিন দশকের মধ্যে তাদের সবচেয়ে দুর্বল গণপ্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০-এর দশকের আগেই এআই এই প্রবৃদ্ধির হারকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য বাস্তব সুফল নিয়ে আসতে পারে। তবে এই সুযোগ নিশ্চিত নয়।

সবচেয়ে উন্নত এআই সিস্টেমগুলো অল্প কিছু দেশ ও কোম্পানি তৈরি করছে, অথচ অনেক উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এখনো কার্যকরভাবে এআই ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট সংযোগ, ডেটা, দক্ষতা এবং প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব রয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ ছাড়া এআই দেশের মধ্যকার ব্যবধান বাড়িয়ে দিতে পারে, দেশের ভেতরের অসমতা বাড়াতে পারে, বাজারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পারে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে এবং নিরাপত্তা, অধিকার ও সামাজিক সংহতির জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

প্রতিবেদনে একটি স্পষ্ট ও তিন-ধাপ বিশিষ্ট পথরেখার কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো- সহজলভ্য টুলগুলো গ্রহণ করা, স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সেগুলোকে মানিয়ে নেওয়া এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্রন্টিয়ার এআই (সর্বাধুনিক এআই) উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এই পর্যায়েক্রমিক পদ্ধতির মাধ্যমে দেশগুলো মৌলিক শর্তগুলো পূরণ করার আগেই ব্যয়বহুল ও অকার্যকরভাবে উন্নত এআই অনুকরণ করার ভুল থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে।

Frequently Asked Questions

What is এআইয় র স ফল ল ফ ন?

এআইয় র স ফল ল ফ ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does এআইয় র স ফল ল ফ ন matter?

এআইয় র স ফল ল ফ ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment