Country

হাঁড়িভাঙ্গা আম ঘিরে জমজমাট পদাগঞ্জ হাট

হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারে পৌঁছেছে হ ড ভ ঙ গ আম ঘ - রংপুরের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক হাঁড়িভাঙ্গা আম এবার বাজারে পৌঁছেছে। প্রতিবছরের মতো এটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে

Desk Country
Published June 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারে পৌঁছেছে

হ ড ভ ঙ গ আম ঘ – রংপুরের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক হাঁড়িভাঙ্গা আম এবার বাজারে পৌঁছেছে। প্রতিবছরের মতো এটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু হয়। সোমবার (১৫ জুন) থেকে সরকারি পরিচালনায় হাঁড়িভাঙ্গা আমের বিক্রি স্থাপন করা হয়েছে। প্রথম দিনেই রংপুরের পরিচিত বাজার পদাগঞ্জ হাটসহ বিভিন্ন স্থানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্থান নেওয়া হয়েছে।

হাঁড়িভাঙ্গা আমের মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ চালনা করছেন আমবাগানের মালিক, ফড়িয়া, পরিচারক, বিক্রেতা, পরিবহন ব্যবসায়ী এবং কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলো। স্থানীয়দের মতে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিপক্ক হওয়ার আগেই আম বিক্রি শুরু করেছেন।

বাজার ও পরিবহনের পরিস্থিতি

অনুসারে মান ও আকৃতি নির্ভর করে প্রতি মণ বড় সাইজের আমের দাম এখন ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা। মাঝারি সাইজের আম প্রতি মণ দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। অর্থাৎ পাইকারি মূল্যে প্রতি কেজি দাম ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। খুচরা বাজারে দাম বেশি হয়েছে।

‘নিজস্ব পাঁচ বিঘা জমিতে আম চাষ করেছি। টানা বৃষ্টি ও ঝড়ে ফলন কম হয়েছে। আমের গায়ের কালারও পরিবর্তন হয়েছে। গত বছর আমের মণ প্রায় ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা হত। এবার দাম কমে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’ বলেন আমচাষি মেহেদী হাসান জাগো।

‘৮ একর জমিতে আম চাষ করেছি। শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে বাগানের কিছু ক্ষতি হয়েছে। আম পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া দামে কেনার পরিকল্পনা করেছেন।’ বলেন পদাগঞ্জ এলাকার মোসাব্বির বকসি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আম পৌঁছেছে। রংপুরের বিখ্যাত হাট-বাজারগুলোতে এটি পাওয়া যাচ্ছে। পাড়ামহল্লায় অলিগলিতে ফেরি করে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা থেকে আসা ব্যবসায়ী মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘রংপুরের মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ ও সদর উপজেলার বাগান থেকে আম সংগ্রহ করে ট্রাকে চলেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ এলাকাগুলোতে পৌঁছেছে। অনলাইনে আম বিক্রির ধুম পড়ছে।

ফেসবুক ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসে ক্রেতারা তাজা আম পাচ্ছেন। ঢাকায় পাঠানো প্রতি কেজি খরচ ১৩ টাকা। ঢাকার বাইরে সে পরিমাণ ১৬ টাকা। ক্যারেট/বক্স, প্যাকিং খরচসহ এক মণ আম পাঠাতে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা খরচ পড়ছে।

ব্যবসায়ীদের কথা শুনুন

‘বাগানে আম পরিপক্ক হয়েছে। মালিকরা তাকে ডেকে বিক্রির কথা বলেন। তাই আম কিনে বিক্রি শুরু করছি।’ বলেন পাইকারি ব্যবসায়ী আলম মিয়া।

‘অতিরিক্ত গরমে আম আগেভাগেই পাড়া শুরু হয়েছে। কেউ কেউ পাকাতে স্প্রে মেশাচ্ছেন। যদিও এটা অন্যায়। এতে হাঁড়িভাঙ্গা আমের স্বাদ কম হয়েছে।’ বলেন মমিনুল ইসলাম।

২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি হাঁড়িভাঙ্গা আম রংপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে প্রাপ্ত হয়েছে। এখন এটি কেবল দেশের সীমার বা�

Leave a Comment