হাসপাতাল ভাঙচুর: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোগীর মৃত্যু বিষয়ে উত্তেজনা
র হ ঙ গ ক য ম – রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রোগীর মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভের শিখরে উখিয়া অঞ্চলে রেজিস্ট্রার ক্যাম্পে জিকে হাসপাতালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার রাতে সময়ে এই ঘটনা ঘটে যেখানে অসুস্থ হয়ে পড়া রোহিঙ্গা রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি নীতি অনুযায়ী সমাপ্ত হয় না, ফলে তার মৃত্যুর পর তার স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতাল ভাঙচুর করেন। ঘটনাটি রাত ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সংঘটিত হয়, যেখানে সংঘটিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
রোগীর মৃত্যুর প্রতিক্রিয়া: এক ক্ষতির পর দ্বিতীয় আঘাত
হাসপাতাল ভাঙচুরের কারণ হলো ইদ্রিস আলী (৫৩) নামে এক রোহিঙ্গা রোগীর মৃত্যু। তিনি কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের নাজির আহমেদের ছেলে। তার অসুস্থ হয়ে পড়া সময় রোগীর ডাটা কার্ড না থাকার কারণে চিকিৎসার প্রক্রিয়া প্রায় ১৫-২০ মিনিট বিলম্বিত হয়। রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা হাসপাতালে আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি ক্ষতিগ্রস্ত করেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দারা নিশ্চিত করেন যে কর্মীদের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
অনুসন্ধান প্রসঙ্গে জানা যায় যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মূলত বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তবে ডাটা কার্ড বা আবেদনপত্র ছাড়া নানা বাধা সৃষ্টি হয়। রোহিঙ্গা ক্যাম্প প্রতিদিন নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছিল, যেমন আগে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছিল।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান পরিস্থিতি
পুলিশ ও সেনা একত্রে স্থানীয় কর্মীদের সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মীদের তীব্র অবহেলার অভিযোগ শোনা যায়। কর্মীরা বলেন যে তাদের এই ঘটনার জন্য দায়িত্ব নেওয়া হবে। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মানুষের প্রতি অবহেলা বাড়তে থাকে। ঘটনার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা চালু হয়। এই ধরনের ঘটনা আরও প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন করে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মৃত রোগী যে কারণে হাসপাতাল ভাঙচুরের কারণ হয়েছে, সেটি চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আনে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর ভরসা রাখা সত্ত্বেও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয় না। রোগীদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও বাসিন্দাদের মতামত গ্রহণ করা হয়। সেই মতামতে অনেকে বলেন যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব হয় না।
বিক্ষোভের সময় হাসপাতালে আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয�