ধরলায় নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর ভেসে উঠলো বড় ভাইয়ের মরদেহ
ধরল য ন খ জ র ২৮ – ধরল য ন খ জ র এলাকায় বৃহত্তম ধরল নদী ছয় মাথা এলাকায় সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় একটি দুর্ঘটনার পরিচয় পাওয়া যায়। নদীতে গোসল করতে নামা তিন ভাইয়ের মধ্যে সাব্বির আহমেদ (১৬) মৃত হন, কিন্তু ছোট ভাই শাওন আহমেদ (১৪) নিখোঁজ হয়ে যান। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুর আলম জানান যে তিনজন ভাই ও তাদের বন্ধু মেহেদী হাসান (১৭) নদীতে প্রবেশ করে দুর্গম অঞ্চলে পরিচিতি হন। ধরল য ন খ জ র নদী তীব্র স্রোত ও ভারী গোসল পরিবেশের কারণে উদ্ধার কাজ কঠিন হয়ে পড়ে।
সাঁতরার পরিচিতি হওয়া ও প্রতিক্রিয়া
ঘটনার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দল অভিযান শুরু করেন। ধরল য ন খ জ র এলাকার বাসিন্ত সাধারণত বিশ্বাসঘাতকতা ও সাধারণ নদী আছে, কিন্তু এই সময় সেখানে প্রতিদিনের তুলনায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। অভিযান প্রায় ২৮ ঘণ্টা চলে, কিন্তু মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে সাব্বির আহমেদের মরদেহ ভেসে উঠার খবর পেয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ কমে আসে। তিনজন ভাইয়ের মধ্যে শাওন আহমেদ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণে ধরল য ন খ জ র এলাকার মানুষ ভীত হন।
“দুর্ঘটনার পর থেকে তদন্ত চলছে এবং মৃত সাব্বির আহমেদের মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে সবাই বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে আবার আশায় ভরে উঠেছে।”
যদিও মরদেহটি উদ্ধার করা হয়, কিন্তু শাওন আহমেদের অবস্থা নিয়ে কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। ধরল য ন খ জ র নদীতে ভাসা মরদেহ ও গুরুতর আহত ছাত্রের কথা সবাই বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে চিন্তা করে। এই সময় মেহেদী হাসান কোনোমতে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তিনি বলেন যে ধরল য ন খ জ র নদীতে সেই দিন স্রোত বিশেষ তীব্র ছিল।
ঘটনার পর আশা ও সমস্যা
পরিচিতি হওয়ার পর সাব্বির আহমেদের মরদেহ মেডিকেল মোড় এলাকায় পৌঁছে যায়। এখানে তার পরিবার বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে খুব বিপন্ন হন। ধরল য ন খ জ র এলাকার ছেলে ছোট ভাই শাওন আহমেদ হু তাদের মৃত ভাইয়ের সন্ধান বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে সবাই আর খবর পেতে চায়। তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন প্রতিদিন সাঁতরার অভিযানে নিয়োগ করেন। ধরল য ন খ জ র নদী তিন মাথা এলাকার কাছে গুরুতর গোসল পরিবেশে কারণ হয়ে উঠেছিল।
ঘটনার সময় ভাইদের বন্ধু মেহেদী হাসান কোনোমতে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তিনি জানান যে ধরল য ন খ জ র নদীতে গোসল করার পর স্রোত দ্বারা তিনজনই প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু সাব্বির আহমেদ নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা হেলাল উদ্দিন প্রতিদিন কাজে লিপ্ত ছিলেন। ধরল য ন খ জ র এলাকার স্থানীয় মানুষ স্থানীয় তদন্ত ও সহায়তার কাজে লিপ্ত হন।
আপাতত শাওন আহমেদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু ধরল য ন খ জ র নদীতে গোসল করা পরিচিত ছিল তার পরিবার। তাদের সন্ধানে অভিযান চলছে, কিন্তু এখনও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। স