ওমরাহ যাত্রীদের দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পিরজাদা হাম্মাদ ও মিশকাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে আসছে
দ ই প রজ দ র ব – চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ ও জেলার কচুয়ার আইনগিরি গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মওলানা মো. গোলাম মাওলা নিবন্ধন ছাড়া বিভিন্ন যাত্রীদের দুই কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি চেক ডিজঅনারের মামলা করেছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। তিনি বলেন, পিরজাদা হাম্মাদ ও মিশকাত চৌধুরী এবং নিজের নামে সেই মামলার বিরুদ্ধে কোনো সাড়া দিয়েছেন না।
বিষয়টি জানতে তিনি ভুক্তভোগীদের সাক্ষাতকারী করেন। তিনি আরও বলেন, তারা ওমরাহ যাত্রীদের পাঠানোর জন্য গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করেছে। তবে যাত্রীদের আত্মসাৎ করা সম্পূর্ণ প্রতারণা বলে মনে করছেন তিনি। কারণ তাদের প্রতিষ্ঠানটি এসবি ওভারসিজ হিসেবে নিবন্ধন ছিল না।
তারা যাত্রীদের পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে আমাকে ভুয়া ভিসা ও এয়ার টিকিট দেন। ওই বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হলে এক পর্যায়ে আমাকে ২০ ও ২৫ লাখ টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়। চেকগুলোর অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকাতে শেষ পর্যন্ত হাম্মাদ চৌধুরীকে এন.আই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় আসামি করেছি ঢাকার এম এম আদালতে।
পিতা মুহাম্মদ জাকারিয়া চৌধুরী তার সন্তানদের ব্যবসায়িক কাজে জড়ানো হয়েছে বলে কুমিল্লার মুরাদ নগরের নছরুল্লাহ হুসাইন জানান। তিনি বলেন, বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী তার দুই ভাই হাম্মাদ ও ইয়াহিয়ার ব্যাংক হিসাব নম্বরে দুই কোটি টাকা গ্রহণ করেছেন হজ যাত্রীদের ভিসা ও এয়ার টিকিট বাবদ। তবে কাজ করে দিতে না পেরে তিনি ৭৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন।
হাম্মাদ চৌধুরী এখন ঢাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন এবং মিশকাত চৌধুরী বিদেশে প্রবাসী হয়েছেন। প্রতারণার ফলে তারা অনেকেই আত্মসাৎ করেছে যাত্রীদের টাকা নিয়ে। এখন কেউ কেউ টাকা ফেরত পেতে পারছেন না এবং ওমরাহ করার ব্যবস্থা হচ্ছে না। তার মামলার তারিখে হাম্মাদ উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে।