তারেক রহমানের হাত থেকে কার্ড নিয়ে ভাইরাল হওয়া সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
ত র ক রহম ন র হ – টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে বসবাসকারী কবির হোসেন একজন আশাজনক কৃষক কবি ছিলেন। তাঁর আঁকা ছবিগুলি এবং রচিত কবিতাগুলি বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে অনেক আগ্রহ জাগিয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি সকাল থেকে বুকে ব্যাথা অনুভব করছিলেন এবং পরিবারের সদস্যদের মতে ক্লিনিকে গেলে ইসিজি পরীক্ষার মাধ্যমে হার্টের সমস্যা ধরা পরে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ার পর কিছুটা সুস্থতা অনুভব করে তিনি বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সেই রাতে তার হৃদয়ের ব্যাথা বেশি হয়ে ওঠে এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্ডে গুরুতর প্রভাব ছিল
চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর কবির হোসেন তার জীবনে আরও বেশি সামাজিক মুহূর্ত গড়ে তুলেছিলেন। তার প্রচারণা বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হওয়ার পর তার আকর্ষণীয় ছবি এবং কবিতা এত জনপ্রিয় হয়েছিল যে বিশেষ করে কৃষি ক্ষেত্রে কার্যক্রমে তার ভূমিকা আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত করে এবং তদন্তের মাধ্যমে তাকে প্রকৃত কৃষক হিসেবে শনাক্ত করে। তার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তিনি বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তার সামগ্রিক অবদান প্রকাশ করে এবং তার জীবনের শেষ দিনগুলি কৃষি ক্ষেত্রে গুরুতর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে।
সমাজের তার জায়গা
কবির হোসেন তার কৃষক জীবনের সুখ-দুঃখ তুলে ধরার জন্য নিজের ছবি এবং কবিতা রচনা করেছিলেন। তাঁর আঁকা ছবিগুলি কৃষকদের মাঝে বিশেষ আস্থা লাভ করে। কবির হোসেনের কারিগরি জীবন কৃষি ক্ষেত্রে নতুন করে আস্থার বাড়ি তৈরি করে। তিনি বিশেষ করে কৃষি কার্যক্রমে যুগ্ম ভূমিকা পালন করতেন। তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে তার অনুসারীদের মধ্যে গভীর দুঃখ ছড়িয়ে পড়ে। তার ছাড়া কৃষক কার্ড প্রোগ্রামের জন্য তার জন্য এত আস্থা জন্ম হয়েছিল যে কিছু সম্প্রদায় তার মৃত্যুতে বিশেষ ভাবে স্মরণ করে।
ত র ক রহম ন র কৃষক কার্ড প্রোগ্রাম কৃষি ক্ষেত্রে সামাজিক ও আর্থিক সুবিধা সৃষ্টি করে। কবির হোসেন তার ছবিগুলি দিয়ে কৃষকদের সম্পর্কে আরও বেশি জানানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর পরিবার এবং সম্প্রদায় তার মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতি রক্ষা করতে সংগ্রাম চালায়। এই প্রতিবেদনে তার প্রাণপণ সংগ্রাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং প্রধানমন্ত্র