ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশ বিপর্যস্ত হয়েছে
ঢ ক স ল ট মহ সড – বৃষ্টির প্রকোপে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ের নারায়ণগঞ্জ অংশে মহাসড়কে অসংখ্য গর্ত ও ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এ সড়কগুলো ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ জনপদে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার কাজ করা হচ্ছে না, যাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রাণঘাতী ঝুঁকির সৃষ্টি
উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে সামান্য বৃষ্টির কারণে গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। কোথায় রাস্তা শেষ আর কোথায় গর্ত শুরু হয়েছে তা স্পষ্ট হয় না। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, সিএনজিও ছোট যানবাহনের চালকরা বিশেষ করে এই অংশে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন। এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়�ে পরিস্থিতি আরও খারাপ। কাঞ্চন সেতুর উভয় পাশে বিভিন্ন অংশ বিপর্যস্ত হয়েছে। বিশেষ করে কাঞ্চন এলাকার ব্যবসায়ী সাব্বির হোসেন জানায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য দোকানে আসার সময় আতঙ্কে থাকতে হয়।
যানবাহনের আঘাত
রাস্তার কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ বারবার নষ্ট হচ্ছে। প্রতিমাসে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আয় কমছে, খরচ বাড়ছে। অথচ স্থায়ী সমাধান নেই।
কন্টেইনার চালক আলতাফ মিয়া বলেন, রাতে বা বৃষ্টির সময় রাস্তা ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। জমা পানিতে গর্ত দেখা যায় না। খানাখন্দে চাকা পড়লে গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। লেগুনাচালক জাহের আলী বলেন, রাস্তার কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে।
অবস্থা ও প্রকল্প প্রোগ্রাস
এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কের ৪৮ কিলোমিটার অংশে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। মদনপুর হইতে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। এ সড়কে গ্রীন ইউনিভার্সিটির সামনে কাঁচা রাস্তা হওয়ায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যানবাহন চলাচলে সমস্যার সমাধান জন্য মেরামত করা হচ্ছে। চায়না প্রজেক্ট ও এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কের কাজ চলমান রয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা কথা দিয়েছেন বৃষ্টির পানি সরে গেলে যেগুলোতে গর্ত হয়েছে সেগুলো ভরাট ও সংস্কার করা হবে। এছাড়া এলজিইডির সড়কগুলো মেরামত করে দেওয়া হবে।