ছেলের হাত ধরে নতুন জীবনে ফিরছে বাবার স্বপ্নের ‘পাতলী খাল’
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন পাতলী খাল খনন প্রকল্প
ছ ল র হ ত ধর নত – ৪৮ বছর আগে কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে জমির চাষাবাদ বাড়াতে খনন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সময়ের আবর্তে কালের অবহেলায় খালটি পরিণত হয়েছে ছড়ায় ভরাট হয়ে। এবার তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পিএমখালীতে আসছেন বাবার ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করতে। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পিএমখালী ছাড়াও পুরো জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। খালখননের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত সভা এবং রাতে সুধী সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বলেন, খালের বাংলাবাজার অংশ এবং কিছু আংশিক অংশ অবৈধ দখলে চলে গেছে।
বৈপ্লবিক কৃষিবিপ্লবের অংশ খালখনন
১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজস্ব উদ্যোগে পাতলী খাল খনন প্রকল্প শুরু করেন। খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছও রোপণ করেন যা আজও কালের সাক্ষী হয়ে বেঁচে আছে। প্রায় ১২ হাজার হেক্টর অনাবাদি জমি চাষাবাদের আওতায় আসে খালের পানির কল্যাণে।
“দেশের গতি সচল রাখতে হলে চাষিদের বাদ দেওয়া যাবে না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতি ইঞ্চি মাটি চাষাবাদযোগ্য করার দরকার ছিল মেজর জিয়া।”
খনন করা খাল স্থানীয় কৃষকদের কাজ ব্যাহত করেছিল দীর্ঘ সময় ধরে। ২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল নিজস্ব অর্থায়নে পুনঃখনন করেছিলেন। খালটি তখন পুনরায় পানির প্রবাহ শুরু করে। সেই কাজের প্রাথমিক উদ্বোধন করেন গত মাসের ৯ মে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
খালের বৃহৎ প্রসার আশা
এমপি কাজল ও বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২�