Country

৯০ হাজার ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, নারীসহ আটক ৩

og_1788767238_6a9e6c063a0eb

কক্সবাজারে এক রাতেই উদ্ধার ৯০ হাজার ইক্সটাসি ও ৩৬ লাখ নগদ — তিনজন জেলখাতায়

Bangladailypost.com – ৯০ হ জ র ইয় ব ও – মাদক পাচারের এক বড় রুটকে আঁটসাঁট করার চেষ্টায় সোমবার ভোরের অন্ধকারে কক্সবাজার সদর উপজেলার হাজি পাড়া এলাকায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) টিম। ফল: এক বাসায় থেকে উদ্ধার হয় ৯০ হাজার পিস ইক্সটাসি ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির আয় হিসেবে ধারণা করা ৩৬ লাখ টাকা নগদ। অভিযানে আটক করা হয় তিনজনকে — যাদের মধ্যে একজন নারীও আছেন।

অভিযানের পেছনে গোয়েন্দা তথ্য

ডিএনসি সূত্রের বরুণ, এই অভিযান পরিচালিত হয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে। তথ্য বলছিল মুবিন নামে এক ব্যক্তির বাসায় মাদক সংরক্ষণের কাজ চলছে। সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে টিমটি ওই বাসায় প্রবেশ করে তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশির সময়ই উদ্ধার হয় ইক্সটাসি ট্যাবলেটের বিশাল পরিমাণ এবং নগদ অর্থ।

প্রাথমিক তদন্তে ডিএনসি জানতে পেরেছে, আটককৃত ব্যক্তিরা কক্সবাজার থেকে ইক্সটাসি পাচারের উদ্দেশ্যে ওই বাসায় অবস্থান করছিলেন। অর্থাৎ, বাসাটি ছিল মাদক পাচারের এক আন্তরিক হাব — যেখানে ট্যাবলেটগুলো সাজানো-গুছানো অবস্থায় রাখা হতো, পাচারকারীদের পৌঁছানোর অপেক্ষায়।

আটক তিনজনের পরিচয়

অভিযানে আটক তিনজন হলেন মোমেন মেহেদী আশিক, তার স্ত্রী সাদিয়া ফারহানা এবং তাদের এক সহযোগী। তিনজনই টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। মোমেন মেহেদী আশিকের নাম এক পুলিশ কর্মকর্তার শ্যালক হিসেবে পরিচিত — এই সম্পর্ক স্থানীয়ভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ মাদক ব্যবসায় পুলিশের নিকটাত্মীয়ের যুক্তি থাকলে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা থাকে।

ডিএনসি উপ-পরিচালকের বক্তব্য

কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সৌমেন মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, অভিযানটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।

“গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ইক্সটাসি ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ইক্সটাসি ও নগদ অর্থের প্রকৃত উৎস এবং আটক ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কক্সবাজার-টেকনাফ করিডোর: মাদক পাচারের ঐতিহ্যবাহী রুট

কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকা বহু বছর ধরে মাদক পাচারের এক গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হিসেবে পরিচিত। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এই দুই উপজেলা সমুদ্রসীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত, ফলে নৌপথে ইক্সটাসি, হিরোইনসহ বিভিন্ন মাদক দেশে প্রবেশের সুবিধা পাওয়া যায়। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে মাদক সংগ্রহ ও সংরক্ষণের নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার অভিযোগ বারবার আসে।

৯০ হাজার পিস ইক্সটাসি এককভাবেই একটি বিশাল পরিমাণ। প্রতি পিস ইক্সটাসির বাজারদর বিবেচনা করলে এই ট্যাবলেটগুলোর মোট মূল্য কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এ ছাড়া উদ্ধারকৃত ৩৬ লাখ টাকা নগদ মাদক বিক্রির আয় হিসেবে ধারণা করা হলে এটি নির্দেশ করে যে সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কটি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল এবং বহুবার বিক্রি সম্পন্ন করেছে।

আইনগত প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ তদন্ত

আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে এখন মূল প্রশ্নগুলো হলো: ইক্সটাসিগুলো কোন পথে দেশে প্রবেশ করেছে, নগদ অর্থের উৎস কী, এবং এই নেটওয়ার্কের আরও কতজন সদস্য আছে। মোমেন মেহেদী আশিকের পুলিশ কর্মকর্তার শ্যালক হওয়া এই প্রসঙ্গে তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ডিএনসি-এর এই অভিযান কক্সবাজার-টেকনাফ করিডোরে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে একক অভিযানেই পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম — তাই তদন্তের পরবর্তী ধাপে আরও আটকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন।

Frequently Asked Questions

What is ৯০ হ জ র ইয় ব ও?

৯০ হ জ র ইয় ব ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ৯০ হ জ র ইয় ব ও matter?

৯০ হ জ র ইয় ব ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *