Country

২০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙালেন ভক্ত

ভক্ত আলামিন টাওয়ারের চূড়ায় দুই পতাকা উত্তোলন ২০০ ফ ট উ চ ট ওয় - ২০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙালেন ভক্ত আলামিন নামে এক ব্যক্তি।

Desk Country
Published June 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
4fcd7208-93c5-4583-b4c7-5eef1e8a09eb-0
Foto : John Jones - bangladailypost.com

ভক্ত আলামিন টাওয়ারের চূড়ায় দুই পতাকা উত্তোলন

Bangladailypost.com – ২০০ ফ ট উ চ ট ওয় – ২০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙালেন ভক্ত আলামিন নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের চালিমিয়া গ্রামে এই পরিচিতি অর্জন করেছিলেন তিনি। অসাধারণ সাহসে এই ঘটনায় তাঁর পতাকা টাঙানো একটি অভিনব কর্ম হিসেবে নিয়োজিত হয়েছিল। এই কাজটি এলাকার মানুষদের সম্পূর্ণ চাঞ্চল্য করেছিল এবং অনেক সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

একটি অপরূপ কর্ম বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার পতাকার সাথে

বাবুখালী বাজারের দক্ষিণ পাশে নবাব আলী বাড়ির সংলগ্ন বাংলালিংকের মোবাইল টাওয়ারটি তাঁর দুই পতাকা উত্তোলনের স্থান হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। আলামিন জানান যে তাঁর প্রিয় দল আর্জেন্টিনা এবং দলের বিশিষ্ট খেলোয়াড় ডি মারিয়া এর প্রতি তাঁর অনুরাগ কারণে এই কর্ম করা হয়েছিল। পতাকা টাঙানো একটি উৎসাহ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সেই সাহস তাঁর নামে স্থান পেয়েছিল।

আমার মনে হয় এই উচ্চতা নিয়ে বাংলাদেশের পতাকা টাঙানো সম্পূর্ণ অন্য পরিমাণে আর্জেন্টিনার পতাকার ওপর এটি সম্পূর্ণ মৌলিক করে তুলেছিল। আমি এখনও দুই পতাকা উত্তোলনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করি, যখন আমি আর্জেন্টিনার পতাকা ঠিক উপরে বাংলাদেশের পতাকা টাঙালেন।

টাওয়ারটি থেকে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া উঠে পতাকা টাঙানোর কাজে তিনি অবিলম্বে ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর আক্রমণ এবং কাজ ব্যাপক ধরনের আলোচনার বিষয়ে পরিচিত হয়েছিল। স্থানীয় মহল আর্জেন্টিনার পতাকার সাথে বাংলাদেশের পতাকার স্থান সম্পর্কে সাধারণ মতামত প্রকাশ করেছেন এবং ভক্তের অভিজ্ঞতার সাথে তাদের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।

বিপজ্জনক কাজে আহ্বান জানানো হয়েছে

এই ঘটনাটি নিয়ে এলাকার প্রশাসন আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙানোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আর্জেন্টিনার পতাকার উপরে বাংলাদেশের পতাকা টাঙানো একটি সাহসী কাজ হিসেবে মনে করা হয়েছে। যদিও ভক্তের কর্ম সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছিল, কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন এখনও এটি দুই পতাকা উত্তোলন হিসেবে বিশ্বাস করেছেন।

তাঁর বর্তমান নেতৃত্ব দিয়ে এই কর্ম দুই পতাকা উত্তোলনের জন্য একটি মৌলিক বিষয় হিসেবে পরিচিত হয়েছিল। এই ঘটনার পরে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙানো সম্পর্কে নানা সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও বেশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। ভক্তের কাজ প্রতিটি মানুষের মনে মনে সুখের মিশ্রণ তৈরি করেছিল।

মোবাইল টাওয়ারে উঠে পতাকা টাঙানোর সময় আলামিন জুয়েল এনএইচআর এএসএম সহ অনেক ব্যক্তির সাহায্য নিয়েছিলেন। তাঁর সাথে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙানো একটি একক কর্ম হিসেবে সম্পন্ন হয়েছিল। এটি বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বন্ধন তৈরি করেছিল।

এই অবিলম্বে অনুষ্ঠানটি কেন্দ্র হিসেবে চ

Leave a Comment