নবজাতক সিঁড়িতে পড়ে ছিল, মায়ের সন্ধান নেই
স ড় ত পড় ছ ল ফ – সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতকের খবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মহিষবেড় গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে ঘটে এবং স্থানীয়দের মধ্যে খুব খতরনাশ বোধ করে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, একটি নবজাতক কোনও সিঁড়ি থেকে পড়ে থাকার খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে বার করে। পরিস্থিতি শুরুতে গুজব ছড়ানোর পর স্থানীয় বাসিন্তর এবং কমিউনিটি নেতাদের হাতে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পৌঁছে।
নবজাতক উদ্ধারের পরিচয়
পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নবজাতকটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। একটি কারণে ঘটনার প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণের জন্য সমাজসেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে কাজ চলছে। নবজাতকটি বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থায় আছে এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর অনুমান করা হচ্ছে তার আরও পরীক্ষা করা হবে। এই সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে শিশুটি পরিবারের কাছে আসার আগে কোনও প্রতিবেদন ছিল না।
তদন্তে জানা গেছে, নবজাতকটি একটি মহিষবেড় বাড়িতে একজন মা হতে কিছুকাল অপসারিত হয়েছে। তার কোনও পরিচয় নেই এবং শিশুটি কারও সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে রেখে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে কান্নার শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খুঁজে পায়। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, পরিবারের কোনও প্রতিবেদন নেই এবং শিশুটি তার মায়ের অপসারণের পর এখনও সন্ধান নেই।
সমাজসেবা বিভাগের কাজ সম্পর্কে তথ্য
নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল জানান যে, নবজাতকটি এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এবং সমাজসেবা বিভাগের পর্যবেক্ষণে আছে। তিনি বলেন, নবজাতকটি এখন বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে এবং সামান্য চিকিৎসার পর তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, যদি শিশুটির পরিচয় নির্ধারিত হয় না, তবে আইন অনুযায়ী দত্তক বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতকটি অবিশ্বাস্য ব্যবস্থা অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখন সমাজসেবা বিভাগ তার পরিচয় খুঁজছে এবং সম্ভবত একটি দত্তক নেওয়া হবে। এই ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি কারণে সেখানে একটি হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে।’
পরিস্থিতির স্থানীয় আশা করে যে কিছুকাল পর শিশুটির পরিচয় শনাক্ত হবে। তিনি বলেন, এই সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতক খুঁজতে এখন স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে। কিছু মানুষ কমপ্লেক্সে শিশুটিকে দেখতে আসেন এবং দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এই ঘটনাটি এখন স্থানীয় মান