Country

বর্জ্য ফেলার জায়গা নেই, বাতাসে ছড়াচ্ছে বিষ

e463faad-eea3-4a63-a7c4-13ed22249f12-0

বর্জ্য ফেলার জায়গা নেই, বাতাসে ছড়াচ্ছে বিষ

Bangladailypost.com – বর জ য ফ ল র জ – ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। কালকিনি ও রাজৈর পৌরসভার আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় মহাসড়কের পাশে খোলা জায়গায় শত শত টন ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। তার ফলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রী ও পথচারীদের যাতায়াত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি পদ্মা সেতু হওয়ার পর আরও ব্যস্ততম হয়েছে। এই সড়কটি দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ চলাচল করে। অথচ সড়কের পাশে ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাইড দিয়ে চলাচলের সময় সাধারণ মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।

„আমাদের পৌরসভার ময়লা ফেলার কোনো জায়গা নেই। মাদারীপুরের কোথাও ময়লা ফেলার জায়গা নেই। ময়লা ফেলার জন্য জমি কেনার ব্যাপারে কথা হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চেষ্টা করা হচ্ছে।“

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ গোপালপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা জমা হয়েছে। সড়কের পাশে টিন দিয়ে বেড়া ও চাল দিয়ে বানানো ঘরে ময়লা ফেলার স্থান সৃষ্টি হয়েছে। সকালে প্রতিদিন ওই স্থানে ময়লা ভ্যানগাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

„বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনার ফলে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ চরমভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে। দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি চরমভাবে বায়ু ও পানি দূষণ হচ্ছে।“

ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ পরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়ক থেকে ময়লা-আবর্জনা সরাতে বারবার সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দিলেও কোনো সমাধান পানি না। দুর্গন্ধ ও বিষ সমস্যা এখনও অবস্থার সাথে চলছে।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়মেহের এলাকায় বছরের পর বছর ধরে ময়লা ফেলায় পরিবেশ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর থেকে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ তা পুনরায় শুরু হয়েছে।

যাত্রীদের মাঝে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানোর সাথে চরম বায়ু দূষণ সংঘটিত হয়েছে। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। ময়লা ফেলার জন্য জমি কেনার ব্যাপারে কথা হচ্ছে। কালকিনির দক্ষিণ গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, „দুর্গন্ধের কারণে এখানে থাকাই দায়। নাক মুখ চেপে চলাচল করতে হয়।“

ট্রাকচালক মকবুল হোসেন জানান, „বাতাসে প্রচণ্ড দুর্গন্ধে চলাচল করাই মুশকিল।“ পেশায় অটোরিকশাচালক সৈকত হাসান বলেন, „মহাসড়কের পাশে ময়লা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *