Country

দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে টেকনাফ স্থলবন্দরে

দ র ঘ স থব রত ক - কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। রপ্তানি কার্যক্রমে যে গতি এসেছে

Desk Country
Published August 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. টেকনাফ বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নতুন উজ্জীবন
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

টেকনাফ বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নতুন উজ্জীবন

Bangladailypost.com – দ র ঘ স থব রত ক – কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। রপ্তানি কার্যক্রমে যে গতি এসেছে, তবুও আমদানি ক্ষেত্রে এখনো প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। সীমান্ত বাণিজ্যের এই পুনরুজ্জীবন স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংঘাতের পর বাণিজ্য পুনরায় শুরু

মিওানমারের রাখাইন অঞ্চলে অশান্তি শুরু হওয়ার পর প্রায় এক বছর ধরে টেকনাফ বন্দরের মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য কার্যত স্থগিত ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ সালের মে মাস থেকে মিওানমার থেকে কাঠবোঝাই ট্রলারগুলো টেকনাফ স্থলবন্দরে আসতে শুরু করে। এরপর ধীরে ধীরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল হতে থাকে। ফলে বাণিজ্য পুনরায় শুরু হওয়ায় বন্দরের ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

এদিকে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্থলবন্দর সংলগ্ন কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে সড়কের পাশের ছোট ছোট চা-এর দোকানসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, রপ্তানি কার্যক্রমে কিছুটা গতি এলেও প্রত্যাশিত মাত্রার আমদানি এখনো শুরু হয়নি।

শ্রমিকদের আশা ও প্রত্যাশা

টেকনাফ বন্দরের শ্রমিক আলী আজগর বলেন, বর্তমানে বন্দরের কার্যক্রম চালু হওয়ায় শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে দীর্ঘদিন বন্দরে কাজ বন্ধ থাকায় অনেক শ্রমিককে চরম আর্থিক সংকটে পড়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন কাজ শুরু হওয়ায় সেই দুর্ভোগ কিছুটা কাটতে শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, আগের মতো পূর্ণাঙ্গভাবে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ফিরে আসবে। এতে আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে, কর্মসংস্থান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে।

রপ্তানি-আমদানির পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা

টেকনাফ বন্দরের শ্রমিক আলী আজগর বলেন, বর্তমানে বন্দরের কার্যক্রম চালু হওয়ায় শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে দীর্ঘদিন বন্দরে কাজ বন্ধ থাকায় অনেক শ্রমিককে চরম আর্থিক সংকটে পড়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন কাজ শুরু হওয়ায় সেই দুর্ভোগ কিছুটা কাটতে শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, আগের মতো পূর্ণাঙ্গভাবে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ফিরে আসবে। এতে আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে, কর্মসংস্থান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে।

টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এহেতাশামুল হক বাহদুর বলেন, বর্তমানে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিওানমারের সঙ্গে সীমিত পরিসরে সীমান্ত বাণিজ্য চলছে। তবে আমদানির তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ বেশি। মিওানমার থেকে মূলত কাঠ আমদানি হচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আলু, কোমল পানীয়, বোতলজাত পানি, প্লাস্টিকজাত পণ্য, বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় উৎপাদিত পণ্য মিওানমারে রপ্তানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মিওানমার থেকে চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ বাড়লে ব্যবসায়ীরা যেমন লাভবান হতেন, তেমনি বাংলাদেশ সরকারও আরও বেশি রাজস্ব আয় করতে পারত।

টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তা মাহবুব আলম বলেন, চলতি বছরের মে মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার ৮১২ মার্কিন ডলার। জুন মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৫ দশমিক ০১ মার্কিন ডলারে। একই মাসে আমদানি রাজস্ব আদায় হয় ২ কোটি ১৫ লাখ ১৪ হাজার ২৩১ টাকা ৯ পয়সা। এবং জুলাই মাসে আমদানি রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ২৫ পয়সা। একই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০ লাখ ১৯ হাজার ৬৯৪ দশমিক ৬৮ মার্কিন ডলার। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে টেকনাফ স্থলবন্দরে আমদানির তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ বেশি। তবে বিগত সময়ে আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রে আয় বেশি ছিল।

জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/এএসএম

Frequently Asked Questions

What is দ র ঘ স থব রত ক?

দ র ঘ স থব রত ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ র ঘ স থব রত ক matter?

দ র ঘ স থব রত ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment