চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নিজ বাড়িতে নিহত সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি
চ রন দ র য় শ য় - শুক্রবার বাদ আসর সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ মসজিদে জানাজা শেষে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির মরদেহ হযরত মানিক পীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন
Table of Contents
সিলেটে নিহত সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির দাফন সম্পন্ন
Bangladailypost.com – চ রন দ র য় শ য় – শুক্রবার বাদ আসর সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ মসজিদে জানাজা শেষে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির মরদেহ হযরত মানিক পীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে সমাধি দেওয়া হয়। এই দুই ব্যবসায়ী ও তাদের গৃহকর্মী তাহমিনা আক্তারের গলাকাটা মরদেহ বুধবার সকালে নগরীর রাধানগরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দম্পতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিলেটে এসে বসবাস করছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের ফিরে আসা
দাফন অনুষ্ঠানে দম্পতির একমাত্র ছেলে আরিফ ইফতেখার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন,
আমার বাবা যদি কোনো ভুল করেন, আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। আর কেউ তার কাছে টাকা-পয়সা পেয়ে থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে ও এক মেয়ে আজ দেশে ফিরেছেন। এরআগে বৃহস্পতিবার তাদের দুই মেয়ে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসেন। দাফন ও জানাজায় অংশ নিতে তারা সিলেটে উপস্থিত হন। পরিবারের সদস্যরা পুলিশের তদন্তে সহযোগিতা করছেন।
এই ঘটনায় নিহত গৃহকর্মী তাহমিনা আক্তারের মরদেহও বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সদর উপজেলার রাঙ্গাগর এলাকার তার নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাহমিনা দীর্ঘদিন ধরে সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির বাড়িতে কাজ করতেন।
হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত ও গ্রেফতার অভিযুক্ত
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের সঙ্গে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন সকালে তাহমিনা বাবুলকে ঘরে প্রবেশ করান। এরপর তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে তাহমিনাসহ তিনজনকেই কুপিয়ে হত্যা করেন বাবুল মিয়া। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান এবং কাছের একটি ঝোপে ছুরিটি ফেলে দেন।
হত্যাকাণ্ডের চার ঘণ্টার মধ্যেই বাবুল মিয়ার নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। ঝোপ থেকে ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পরিস্থিতি ও তদন্তের বিবরণ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সবকিছু স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন যে তাহমিনার সাথে তার সম্পর্ক ছিল এবং দম্পতির কাছ থেকে কিছু টাকা চাইলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের জেরেই তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিলেটে এসে একটি সুন্দর বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। তারা স্থানীয় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডে সিলেটবাসী শোকের ছায়ায় ডুবেছে।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সিলেটে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন যে বাবা-মায়ের মৃত্যুতে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। তিনি স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে। স্থানীয়রা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি সবসময় সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের বাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের প্রতিও ভালো ব্যবহার করতেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন যে বাবুল মিয়ার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পর্ক আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সিলেটে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন যে বাবা-মায়ের মৃত্যুতে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। তিনি স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে। স্থানীয়রা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি সবসময় সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের বাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের প্রতিও ভালো ব্যবহার করতেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন যে বাবুল মিয়ার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পর্ক আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সিলেটে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন যে বাবা-মায়ের মৃত্যুতে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। তিনি স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে। স্থানীয়রা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি সবসময় সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের বাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের প্রতিও ভালো ব্যবহার করতেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন যে বাবুল মিয়ার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পর্ক আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সিলেটে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন যে বাবা-মায়ের মৃত্যুতে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। তিনি স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে। স্থানীয়রা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি সবসময় সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের বাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের প্রতিও ভালো ব্যবহার করতেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন যে বাবুল মিয়ার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পর্ক আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
দম্পতির ছেলে আরিফ ইফতেখার জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সিলেটে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন যে বাবা-মায়ের মৃত্যুতে তার হৃদয় ভেঙে গেছে। তিনি স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় সিলেটবাসী গভীর শোকে ডুবেছে। স্থানীয়রা জানান, সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি সবসময় সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের বাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের প্রতিও ভালো ব্যবহার করতেন।
প্রায়শ্চিত্ত ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন যে বাবুল মিয়ার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পর্ক আছে কিনা তাও পরীক্ষ
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is চ রন দ র য় শ য়?
চ রন দ র য় শ য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does চ রন দ র য় শ য় matter?
চ রন দ র য় শ য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.