Country

কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স

ক য ক ট স কত ত - পটুয়াখালীর পর্যটননগরী কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে প্রতিদিনই বালু সরে যাচ্ছে। পূর্ণিমার জোয়ার, বৈরী আবহাওয়া আর উত্তাল সাগরের ঢেউ মিলে সৈকতের

Desk Country
Published August 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1787035325_6a83febdc8f08
Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের অবিরাম ভাঙন: জিরো পয়েন্টের পুলিশ বক্স এখন সমুদ্রগর্ভের মুখে
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের অবিরাম ভাঙন: জিরো পয়েন্টের পুলিশ বক্স এখন সমুদ্রগর্ভের মুখে

এক-তৃতীয়াংশ ধসে যাওয়া বক্সে দায়িত্ব পালন

Bangladailypost.com – ক য ক ট স কত ত – পটুয়াখালীর পর্যটননগরী কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে প্রতিদিনই বালু সরে যাচ্ছে। পূর্ণিমার জোয়ার, বৈরী আবহাওয়া আর উত্তাল সাগরের ঢেউ মিলে সৈকতের বিস্তীর্ণ অংশে গর্তের সৃষ্টি করছে। এই অব্যাহত ক্ষয়ের ফলে জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ট্যুরিস্ট পুলিশের একমাত্র বক্সটি এখন চরম বিপদে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী বক্সটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে ধসে গেছে।

বক্সের ভেতরের সব মালামাল সরিয়ে অফিসে রাখা হয়েছে। সামনের অংশে বসে হ্যান্ড মাইক দিয়ে সতর্কতা জারি করছেন সদস্যরা। আর দু-একদিনের মধ্যে বালু আরও ক্ষয় পেলে পুরো বক্সটি সমুদ্রে গায়েব হয়ে যেতে পারে।

গত এক বছর যাবৎ আমাদের বক্সের আশেপাশের অংশ সমুদ্রে চলে গেছে। এতে সমুদ্র উত্তাল হলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং উপজেলা মাসিক মিটিংসহ বিভিন্ন দপ্তরে মেরামত ও সংরক্ষণের কথা বলেছি। ইতোমধ্যে আমাদের বক্সের ভিতরে থাকা সব মালামাল নিয়ে অফিসে রেখেছি। কোনোমতে সামনের অংশে বসে দায়িত্ব পালন করছি। হ্যান্ড মাইক দিয়ে সতর্ক করতে হচ্ছে। আর দু-একদিন এভাবে বালু ক্ষয় হলে বক্সটি সমুদ্রে চলে যাবে। তবে আমরা এখনও সেবা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ কথাগুলো জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন ইনচার্জ নাজমুল আহসান।

সৈকতের পূর্ব-পশ্চিম দুই দিকেই আশঙ্কাজনক অবস্থা

জোয়ারের পানি আগের তুলনায় অনেক উপরে উঠছে। সৈকতের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে ভাঙন বেড়েছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পর্যটন অবকাঠামো রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল জানান, কয়েক মাস আগে পর্যটকেরা স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতেন এমন স্থানে এখন গর্ত তৈরি হয়েছে। মসজিদ, মন্দির ও পুলিশ বক্সের কাছাকাছি পর্যন্ত পানি চলে আসছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পর্যটন অবকাঠামোও একই ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

পর্যটক ও স্থানীয়দের উদ্বেগ

প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় করেন। সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পর্যটন, ধর্মীয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি কুয়াকাটার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে সৈকতের ভাঙনের দৃশ্য দেখে হতাশ হয়েছি। দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রের এমন পরিস্থিতি পর্যটকদের জন্য উদ্বেগের। সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক তাহমিদ হোসেন এ কথাগুলো বলেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অবস্থান

কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, কুয়াকাটায় কাজ করতে গিয়ে অনেক ঝামেলা হয়। ইমার্জেন্সি কাজের সময় সাধারণ মানুষ বস্তায় দেওয়া বালু নিয়ে প্রশ্ন করে। তবে সাপ্লাই বস্তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যাতে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স রক্ষা করা যায়।

আপাতত দুই একদিনের মধ্যে আমরা সেই কাজটা করব।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আরিফুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে একটি স্পন্সর কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যে বক্স বিলীন হচ্ছে, সেটি গেলে আরেকটি তৈরি করে দেওয়া হবে।

স্থায়ী উপকূল সুরক্ষা প্রকল্পের দাবি

কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নিহার রঞ্জন মণ্ডল বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু এটি স্থায়ী সমাধান নয়। প্রতিবছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ধর্মীয় এলাকায় স্থায়ী উপকূল সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোক)-এর সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার উল্লেখ করেন, গত এক দশকে কুয়াকাটাকে ঘিরে শত শত কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সিসহ বিভিন্ন পর্যটন সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

সৈকতের ভাঙন ও পর্যটকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়লে পুরো পর্যটনশিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই কুয়াকাটার টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত বড় পরিসরে উপকূল সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

Frequently Asked Questions

What is ক য ক ট স কত ত?

ক য ক ট স কত ত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক য ক ট স কত ত matter?

ক য ক ট স কত ত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment