তিস্তার পানি উজানে বৃষ্টি ও ঢলের কারণে বিপর্যস্ত হয়েছে
Bangladailypost.com – উজ ন র ঢল ভ র ব – সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যে তিস্তা নদীর পানি উজানে থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারী বৃষ্টির জন্য আবারও বেড়েছে। ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০৮ মিটার। এটি বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। উজানের ঢল ভারী বৃষ্টি প্রতিদিন অব্যাহত থাকায় নদীর পানির স্তর অবিক্ষিপ্ত ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা চলছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম ও সতর্কতা
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধির জন্য সাবেকি সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা কমানোর জন্য ব্যারাজের সব জলকপাট খুলে দিয়েছে। এই কার্যক্রম বিপর্যস্ত হওয়া থেকে আশঙ্কার স্তর কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে। উজানের ঢল ভারী বৃষ্টি প্রতিদিন চলছে এবং এর সম্পর্কে পাউবো নিরন্তর সংবাদ প্রকাশ করছে। উজানের ঢল ও বৃষ্টি কারণে তিস্তার পানি আবারও বেড়েছে এবং উপজেলার নিম্নভূমি প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা এবং অঞ্চলগুলি
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বাড়ছে। বিপর্যস্ত হওয়া থেকে আশঙ্কা থাকায় ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকায় সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিস্তা নদীর পানি উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে চর এলাকার বাসিন্দাদের উপর বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিপৎসীমা কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং উজানের ঢল ভারী বৃষ্টি প্রতিদিন অব্যাহত থাকায় পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী এবং গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নভূমি প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের চর অঞ্চলগুলি বিপর্যস্ত হওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। উজানের ঢল ভারী বৃষ্টি প্রতিদিন চলছে এবং তিস্তার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আগামী কয়েক ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে।
