Article

একজন জননেতার বিদায়: তোফায়েল আহমেদকে স্মরণ

og_1780373590_6a1e585604481

একজন জননেতার বিদায়: তোফায়েল আহমেদকে স্মরণ

Bangladailypost.com – একজন জনন ত র ব দ য় – তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু শুনে আমি কিছুটা অবাক হয়েছিলাম। যে সময় থেকে তিনি জনজীবনের বাইরে ছিলেন, সেই সময়ে আমাদের কাছে তাঁর বিদায়ের জন্য প্রস্তুতি হয়েছিল। অসুস্থতা তাঁকে এমনভাবে আবেগে ভরে দিয়েছিল যে, মনে হয় সেই অবাক হওয়ার সময় না ছিল। কিন্তু কেউ চলে গেলে সেই প্রস্তুতি আর অস্তিত্বের কথা বলে না।

তোফায়েল আহমেদের কথা ভাবতে গিয়ে অনেকেই তাঁর রাজনৈতিক সাফল্য বর্ণনা করবেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সাথে তাঁর নাম সাথে সাথে জড়িয়ে আছে। ছাত্রলীগের সাথে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। সাংবাদিক বিভুদার কাছে আমি তাঁর কাছে একটি আন্তরিকতা পেয়েছিলাম। সেই আন্তরিকতা কোনো অভিনয় ছিল না। আমার স্মৃতিতে যে ক্ষমতা ক্ষমতা করতেন, তাঁর কাছে আসল ব্যক্তিগত গুণ ছিল।

আমার অনেকের স্মৃতি অবশ্য এখন ফিকে হয়ে যায়। সংখ্যা মনে রাখতেন তিনি। এখন পরিচিত নামগুলি মনে রাখা কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু তোফায়েল আহমেদের স্মৃতিশক্তি ছিল অন্য রকম। বেশির ভাগ মানুষ আমাদের সাথে যেন সেই ক্ষমতার চেয়ে প্রাণ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

ভদ্রতার অবমূল্যায়িত গুণ

বিশেষ করে যে সময়ে আমরা বক্তৃতা দেখি, ক্ষমতা দেখি, প্রভাব দেখি, অনুসারীর সংখ্যা দেখি। কিন্তু ভদ্রতা দেখি না। অথচ মানুষকে বোঝার জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি সেই সময় তাঁর সাথে দেখা হয়েছিল কয়েকবার। কথা হয়েছিল কিছু সময় ধরে। তিনি আমাদের নাম, পরিচয় এবং গল্পগুলি যেন গুরুত্ব দিতেন।

তোমাকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রাখলাম।

এক জাতীয় নেতার কাছে গেছি, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু দেখা হওয়ার পর তিনি কয়েকবার বলেছিলেন, “তোমাকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রাখলাম।” আমি একটু অবাকই হয়েছিলাম। এত বছর পরও তা মনে রয়েছে আমার।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ছিল একটি বিপর্যয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি কেন আরও শক্ত অবস্থান নিলেন না? কেন তাঁকে প্রতিরোধের আরও দৃশ্যমান মুখ হিসেবে দেখা গেল না? সেই প্রশ্ন বহুবার উঠেছিল। তিনি নিজেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *