Article

ঈদ-কোরবানিতেও আর ঢোল বাজে না, ওঠে না লাঠির ঝংকার

ঈদ-কোরবানিতেও আর ঢোল বাজে না, ওঠে না লাঠির ঝংকার ঈদ ক রব ন ত ও আর - গ্রামীণ বাংলার আকাশে ঈদের চাঁদ দেখা দেওয়া ছিল উৎসবের অনুমান সৃষ্টি করা। ইট-পাথরে গঠিত শহর

Desk Article
Published May 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1780211778_6a1be042b4d67
Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

ঈদ-কোরবানিতেও আর ঢোল বাজে না, ওঠে না লাঠির ঝংকার

Bangladailypost.com – ঈদ ক রব ন ত ও আর – গ্রামীণ বাংলার আকাশে ঈদের চাঁদ দেখা দেওয়া ছিল উৎসবের অনুমান সৃষ্টি করা। ইট-পাথরে গঠিত শহর থেকে মুক্তি পেয়ে নাড়ির টানে কর্মজীবী মানুষ বাড়ি ফিরতেন। তার সাথে এক প্রকার উৎকণ্ঠা ছিল ও আপনজনের কাছে ফিরে যাওয়ার আনন্দ। ঈদুল আজহার প্রস্তুতি ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কোলাকুলি ছিল মাঠে বিস্তৃত লোকজ সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠিত আয়োজন। সেই উৎসবে মাঠগুলো ছিল বীরত্ব, শৌর্য এবং কৌশলের প্রতীক।

সময়ের সাথে গ্রামীণ সমাজের বদলে এসেছে মানুষের জীবনযাপন। এখন ছুটি মানে বিশ্রাম, ব্যক্তিগত সময় বা ডিজিটাল বিনোদনের জগত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম দ্বারা অবসর কাটানোর ধরন পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে লাঠি খেলার আয়োজনে আগ্রহ কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

ঈদুল আজহার উৎসব ছিল গ্রামীণ জনপদে লাঠি খেলার সবচেয়ে বড় সামাজিক মিলনমেলা। ছুটির দিন দূর-দূরান্তের মানুষ দল বেঁধে মাঠে আসত। সেখানে চলত আড্ডা, হাসি ও গল্প। সংস্কৃতিবিদদের মতে, এই খেলা ছিল যুগবদ্ধ জীবনের এক জীবন্ত দলিল। লাঠি খেলার বর্তমান অবক্ষয় গ্রামীণ সামাজিক পরিসরের হারিয়ে যাওয়া নয়, শুধু একটি লোকজ খেলার ধ্বংস হল না।

“আগে ঈদের পর বিকেল হইলেই পোলাপান লাঠি আর ঢোল নিয়া মাঠে যাইত। এখন সবাই মোবাইল নিয়া ব্যস্ত। দর্শক নাই, তাই খেলাও আর আগের মতো হয় না।”

নতুন প্রজন্ম লাঠি খেলার আগ্রহ হারাচ্ছে। যে খেলায় অংশ নেওয়া একসময় তরুণদের জন্য ছিল গর্ব ও সাহসিকতার প্রতীক, সেখানে এখন নতুন মুখ খুব কম দেখা যায়। প্রবীণ খেলোয়াড়রা বয়সের ভারে সরে যাচ্ছেন। তাঁদের জায়গা নেওয়ার মতো প্রশিক্ষিত তরুণ তৈরি হচ্ছে না। বিকল্প বিনোদনের বিস্তার ও নিয়মিত চর্চার পরিবেশ না থাকায় লাঠি খেলার অনেক পুরোনো দল অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

অনেক এলাকায় দল ভেঙে গেছে। আবার কোথাও খেলোয়াড়ের অভাবে আয়োজন বন্ধ হয়ে গেছে। একসময় স্থানীয় জমিদার, জোতদার বা সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি খেলোয়াড়দের বাদ্যযন্ত্র, পোশাক ও যাতায়াতের ব্যয় বহন করতেন। অর্থসংকটের কারণে অনেক দল টিকে থাকতে পারেনি। জীবিকার তাগিদে অনেক লাঠিয়াল পেশা বদলেছেন।

যাই হোক না কেন, লাঠি খেলার অবক্ষয় একটি সম্পূর্ণ লোকজ আয়োজনের হারিয়ে যাওয়া নয়। এর সাথে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সমাজের সামাজিক পরিসরও। একটি লাঠি খেলার আসর মানে

Leave a Comment