হাবিব হেলালের পাঁচটি কবিতা: হ ব ব হ ল ল র কবিতা পড়ুন
প্রথম কবিতা: মৃত্যুর পর জীবনের বিষয়ে প্রশ্ন
হ ব ব হ ল ল র – হাবিব হেলালের প্রথম কবিতায় মৃত্যু এবং জীবনের মূল সংঘাত উপস্থাপন করা হয়েছে। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় সূর্যের নীরব কাছে বাতাস স্পর্শ করে আমি ঘুরে দাঁড়িয়ে থাকি তোমার নামে ধুলো ঘন করে। অবজার্ভ বৃত্তে কোনো ধূসর পাথর থাকে না কোনো আগুন ধরে রেখে। আরও আঁখির তীরে ঝরে পড়ে আমার মন অশুদ্ধ বসে থাকে তোমার স্মৃতি ঘিরে। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় প্রাণের তীব্রতা স্পষ্ট ছবি তুলে ধরে আছে।
দ্বিতীয় কবিতা: অবাধ্য কণ্ঠ ও বিষাদের ধ্বনি
বাড়ির জানালা ছাড়া কোনো শব্দ থাকে না দুপুরে ঘুরে বসে আমি শুধু প্রাণের বেশি ভার। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় সেই দুর্দান্ত মৃত্যু এবং জীবন মিশে যায় একটি প্রাচীন মাটি ছাড়া। আমার নিষ্প্রাণ কণ্ঠ অবাধ্য কথা বলে থাকে যে সেদিন আমার নামে কেবল তারিখ থাকবে প্রাচীন শহরের গোরস্তান তীরে। এই কবিতায় জীবন ও মৃত্যুর মাঝে দুটি চোখের তীর বিষাদের ছায়ায় ফুটে উঠেছে।
হাটে গেলে দেখি বাজারি দর বাড়ে অপরাধী শব্দ অবমূল্যায়ন ঘটে প্রতিদিন। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় সত্য বলে দাবি করে কেউ কোনো ধীর কথা বলে না এমন করে আমি কেবল দৃষ্টিহীন স্বপ্ন করি পূর্বসূরির ধুলো থেকে। এই কবিতাটি আপনার নিষ্প্রাণ কণ্ঠের চোখে ফুটে আসে।
তৃতীয় কবিতা: মাটির সংঘাত ও বিষাদের প্রকাশ
আয়নার পাশে জলের মূল ছোঁয়া আমার বিষাদ অনুভব করে থাকে নিজের ভাঙা মুখ এখানে। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় শুধু একটি ঘোরার আগ্রহ আছে আয়ু ঘন করে। আবার তোমার স্বাদ ধরে আমি হাসি খাই মেঘের উপর ঘুরে বসে। এই কবিতাটি মাটি ও মানুষের সংঘাত স্পষ্ট করে তুলেছে।
আমার দাদি বলতেন—যে মাটি বেশি সহে সে মাটিতেই গোর দেয় মানুষ আমরা সহেছি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম; ভেবেছি সহ্যই সাহস এখন বুঝি, সহ্যের আরেক নাম ধীরে ধীরে মরা।
চতুর্থ কবিতা: স্মৃতি ও স্বপ্নের ধ্বনি
হাবিব হেলালের চতুর্থ কবিতায় হ ব ব হ ল ল র প্রতিটি চরণ স্মৃতি ও স্বপ্নের ছায়ায় আবেশ করেছে। নিঃশব্দে আলো পড়ে আমি তোমার নিঃশব্দ স্মৃতি ঘিরে নিরাপদ কাছে থাকি যে কোনো জায়গায়। হ ব ব হ ল ল র কবিতায় ঘটে যায় প্রতিদিন কোনো উৎসব ও সুরের পাল্লা দিয়ে আমি জানি দুটো খবর একত্র হয়ে থাকে তোমার জন্ম মরণ দিয়ে; কেউ মরেছে অথবা দেশ ভালো আছে কোনটা মিথ্যে—তা আর আলাদা করতে পারি না।
মা বলেন—মাথা নিচু রাখো বাবা বলেন—সময় বুঝে চলো সবাই ঠিকই বলেন, আমিও জানি তবু