দুদকে আবেদন: এমপিপুত্রের চাঁদাবাজি অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া শুরু
এমপ প ত র র চ দ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুদকের চেয়ারম্যানকে আবেদনটি প্রেরণ করেন। এ আবেদনে সজীবের লোকজন দ্বারা চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রকাশিত তথ্যগুলো আলোচনার জন্য প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
অভিযোগের পটভূমি ও প্রক্রিয়া
অভিযোগ অনুযায়ী সজীবের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাঁদা দাবি করেছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সজীবের লোকজন একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে। সরকারের উচ্চপর্যায়ে হস্তক্ষেপে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়, যার পর থেকে অন্যান্য কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় ও ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ জানানো হয়। আবেদনের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জুন ২১ তারিখে মুচলেকা নিয়ে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। এ বিষয়ে জুন ২২ তারিখে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সজীবের লোকজন একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগ জানানো হয়। এমপ প ত র র চ দ এর সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে সজীব গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের পর দুদক প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রতিবেদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল যে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সরকারের নির্দেশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নিয়ে আসে। পরে তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে দুদকের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।
সজীবের সংগঠন থেকে বহিষ্কার
এমপ প ত র র চ দ এর সজীব জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন, কিন্তু হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ বিষয়ে দুদকে কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আবেদনটি জমা দেওয়ার পর দুদক কমিশন অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত চালানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।
রিগ্যান জানান যে নার্ভ সংবাদে রাষ্ট্রীয় দৈনিকের পাতা জুড়ে অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পরও কোনো যথাযথ কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধানে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এ কারণে এমপ প ত র র চ দ এর সম্প্রদায় দুদক প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ এলাকায় চাঁদ