সিলেটের প্রথম ইনিংসে লিটন দাস আবারও ত্রাণকর্তা হয়ে উঠেছেন
র ওয় লপ ন ড র পর – রাওয়ালপিন্ডির সামনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাপ্তি সূচনা হয়েছিল একটি গুরুতর পরিস্থিতির মধ্যে, যার কারণে ত্রাণকর্তা হিসেবে নাম লেগেছিল লিটন দাস। এই বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে নেওয়া কাজে সিলেটের মাঠে দুই বছর আগের পাকিস্তান বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের সামিল হওয়া একটি গুরুতর পরিস্থিতির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। রাওয়ালপিন্ডির সামনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সাজঘরে ফিরে যাওয়া ছয়জন ব্যাটারের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রামী শতরানের সাথে মূল্যবান স্কোর গড়ে তুলতে সমর্থন করেছিলেন লিটন দাস এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। এই ত্রাণকর্তা ভূমিকা বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্ষেত্রে স্মৃতি জাগায়, যেখানে ব্যাটারদের একটি সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটেছিল।
স্কোর করে উঠার ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম ইনিংসে রাওয়ালপিন্ডি মাঠে প্রাপ্তি সূচনা হয়েছিল অপেক্ষাকৃত করুণ পরিস্থিতির মধ্যে। যদিও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রামী শতরানের সাথে দল বাঁচানোর জন্য ব্যস্ত ছিল, কিন্তু বোধহয় রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট মাঠে যে সংকট ঘটেছিল তার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল সিলেটের মাঠে। রাওয়ালপিন্ডি বিপক্ষে বাংলাদেশ দল ছয়জন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারের মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল, যেখানে সাদমান আর জাকির সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর দলের স্কোর ২৭৪ রানে থামে। এই সংকটে স্থিতিশীল হতে সাহায্য করেছিলেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোধহয় সূত্রে নিজেদের জ্ঞান ব্যবহার করেছিলেন।
সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সাথে জুটি গড়ে রাওয়ালপিন্ডি মাঠে অত্যন্ত করুণ পরিস্থিতি প্রতিরোধ করেছিলেন লিটন দাস। এই ভূমিকায় তাইজুল ইসলাম ছয় রান করেন। সেই সঙ্গে বাঁচিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম এবং তাসকিন আহমেদ কিন্তু রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট মাঠের সম্পূর্ণ স্কোর গড়ে তোলার জন্য নিজেদের নেতৃত্বে দিয়েছিলেন লিটন। এই বিপর্যয়ের মধ্যে ক্ষেত্রে বিপক্ষের বোলারদের মুখে প্রাপ্তি সূচনা করা হয়। যদিও ত্রাণকর্তা ভূমিকা পা�