বাংলার ভাঙ্গায় কয়েকটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের বিরোধ ঘটেছে
আধ পত য ব স ত র – ফরিদপুর উপজেলার হামিরদী ও মানিকদাহ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে উপস্থিত বাসিন্দাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে ক্রমাগত। এতে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ হয়ে যায় এবং এতে হাজারও যানবাহন আটকা পড়ে। ঘটনার ফলে যাত্রীদের বেশি ভোগান্তি হয়েছে।
সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ
সংঘর্ষের প্রারম্ভ হয় শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় মহেশ্বরদী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কালামের পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে গেলে তাকে বেধড়ক মারপিট করার ঘটনার পর। রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় মহেশ্বরদী মৌজার ১১ গ্রামের লোকজন পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে চড়াও হওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসে। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুই পক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে আবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান যে, ঘটনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা ইট ছুড়ে মারে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আটকা পড়ে হাজারও যানবাহনের কারণে নিয়ন্ত্রণ ফেরত আনতে সময় লেগেছে।
এতে রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আরও জানা গেছে, সংঘর্ষে বিজয়ী ও বিপক্ষী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিবাদ চলছিল। এ ঘটনার কারণ হিসেবে পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে সুলতান মাতুব্বর ও সিরু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ উঠেছে।
হাইওয়ে পুলিশের ঘোষণা
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন জানান, একাধিক টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত। এখন যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে প্রথম সংঘর্ষে সাড়ে ৯টার পর আবার মহাসড়ক অবরোধ হয়।
যানবাহনের চালাচালার বাধা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলে। সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে বিপক্ষে হামলা চালানো হয়। সূত্রে জানা গেছে যে, মোট আহত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে অর্ধশতাধিক।
এন কে বি নয়ন/এফএ/জেআইএম