টিআইবির জরিপ: ঘুস ও দুর্নীতি বৃদ্ধির সাক্ষ্য
ট আইব র জর প ঘ স – গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের প্রতিটি সেবাখাতে দুর্নীতি ও ঘুস লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রায় ১৫.৯ শতাংশ ঘুস লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ এক হাজার ৭২৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
সারাদেশের সেবাখাত জরিপের মূল তথ্য
টিআইবির পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে সংস্থাটি জাতীয় পর্যায়ে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে দুর্নীতির শিকার হওয়া হার ১৫.১ শতাংশ এবং ঘুসের শিকার হওয়া হার ২৫.২ শতাংশ হয়েছে। প্রতিবেদনটি দেশের ১৮টি খাত ও সেবার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে। এ খাতগুলোতে কমপক্ষে একটি খাতে দুর্নীতির শিকার হওয়া খানার হার জাতীয় পর্যায়ে বেশি ছিল ৮১.৬ শতাংশ।
সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ দুর্নীতি ও ঘুসের শিকার হয়েছেন বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। টিআইবি জানিয়েছে, পাসপোর্ট সেবা গ্রহণে দুর্নীতির শিকার হওয়া হার সর্বোচ্চ ছিল ৮৪.৪ শতাংশ, যেখানে ঘুসের হার ৭৬.৬ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে দুর্নীতি হার ৮৩.৩ শতাংশ এবং শহরে সেটি ৭৮ শতাংশ হয়েছে।
বিআরটিএ খাতে দুর্নীতির হার জাতীয় পর্যায়ে ৭৯.৩ শতাংশ এবং ঘুসের হার ৬৩.৫ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে দুর্নীতির হার ৮০.৪ শতাংশ ও শহরে এটি ৭৭.৭ শতাংশ। ভূমি সংক্রান্ত সেবাতে দুর্নীতির শিকার হওয়া হার ৬৬.৩ শতাংশ এবং ঘুসের হার ৪৭.৬ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে দুর্নীতি হার ৬৭.২ শতাংশ এবং ঘুসের হার ৪৮.৬ শতাংশ হয়েছে।
জরিপের মোট ঘুসের পরিমাণের তুলনায় দেশের সারাটি সেবাখাতে এই বৃদ্ধি ঘটেছে। টিআইবি জাতীয় পর্যায়ে সেবাগ্রহীতাদের খানাপ্রতি গড় ঘুসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এটি ছিল ৪ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং শহরে ৫ হাজার ৭৫৭ টাকা।
টিআইবির জরিপে সবচেয়ে বেশি ঘুসের পরিমাণ বেশি হয়েছে পাসপোর্ট ও বিআরটিএ খাতে। পাসপোর্ট সেবায় ঘুসের গড় পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫৩২ টাকা, যেখানে গ্রামাঞ্চলে সেটি ৪ হাজার ৯৯১ টাকা ও শহরে ৩ হাজার ৫৭৩ টাকা। বিআরটিএ খাতে ঘুসের গড�