শাপলা গণহত্যার বিচারহীনতা বিশ্লেষণের দাবি রাখে নাহিদ ইসলাম
শ পল চত বর ইস য ত – জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কাকরাইলে আয়োজিত আলোচনা সভায় বলেন, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির ভূমিকা বিশ্লেষণের দাবি রাখা প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সে সময় দেশের বিশাল জনগণ বিপদগ্রস্ত ছিলেন কিন্তু বিএনপি সেই সময় আরও সক্রিয় ও সাহসী কাজ করতে পারে বলে দাবি করেছেন।
আলোচনার প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি আলেম-ওলামা ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের প্রকৃত ভূমিকা বিশ্লেষণ করা। তিনি তুলে ধরেন, সে সময় আলেম-ওলামাদের ও মাদরাসা ছাত্রদের ইসলামবিদ্বেষ ও বিপদগ্রস্ত অবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। গুলির মুখে মানুষ ঠেলে দেওয়া দায়বার মাত্রা তাদের বাড়ানো হয়েছিল।
হেফাজতের আন্দোলনকে তাণ্ডব হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল
তিনি বলেন, হেফাজতের আন্দোলনকে ‘তাণ্ডব’ বলে প্রচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার অংশগ্রহণকারীদের সন্ত্রাসী ও জঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। যারা প্রকৃতপক্ষে নিহত হয়েছিলেন, তাদের অপরাধী হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল।
শাপলা চত্বরে ঘটনার বিচার না হওয়ায় পরে জুলাই গণহত্যা ঘটেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। সেই বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত গণহত্যার দায়িত্ব স্বীকৃতি পাবে না।
নাগরিক অধিকার রক্ষার দাবি
তিনি আরও বলেন, আলেম-ওলামা ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সমান নাগরিক অধিকার রয়েছে। দেশের ইতিহাসে তাদের অবদান স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।
আলোচনায় কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা গণহত্যার বিচার চাই। হাসিনার প্রতি প্রতিরক্ষা করেছে আমরা। কিন্তু আমরা গাঠনিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারিনি। যুক্তরাষ্ট্র এখানে রেজিম চেঞ্জ করেছে, তাদের হাতে ক্ষমতা রয়েছে। সামনে বড় বিপদ আছে। বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে এবং পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।
নির্বাচনে সফলতা সত্ত্বেও স্থিতিশীলতা নেই
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনায় বলেন, সুনির্দিষ্ট অপরাধীদের আসামি করে মামলা �