জরুরি অবস্থা জারি: ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে এক লাখের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা
জর র অবস থ জ র ভ – জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে ভেনেজুয়েলায় দুটি ক্ষতিকর ভূমিকম্পের পরিণতি সম্পর্কে ঘোষণা করে সরকার। প্রতিটি ভূমিকম্পে জীবন ও সম্পত্তির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা জরুরি অবস্থা জারির মূল কারণ হয়ে উঠেছে। দুটি ভূমিকম্প এক মিনিটের ব্যবধানে ঘটেছে, যার প্রতিটি মাত্রা ছিল প্রায় ৭.২ এবং ৭.৫ পর্যন্ত। এই মাত্রার ভূমিকম্প প্রতিটি ভবন, পুল, সড়ক এবং অন্যান্য সরকারি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রগুলির ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। প্রতিটি পরিস্থিতি এখনও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এ ভূমিকম্পে এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে দ্বিতীয় ভূমিকম্পের পর ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হতে পারে এবং সেখানে এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৩০ শতাংশ।
ভূমিকম্পের কারণ ও প্রভাব
প্রথম ভূমিকম্প বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে কেন্দ্র হয়েছে। এই ভূমিকম্প দ্বারা সেখানে একটি বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে এবং তার পরে মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প ঘটেছে। জিওলজিক্যাল সার্ভে কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দ্বিতীয় ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৫ ছিল। রাজধানী কারাকাসে এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে, যার ফলে নানা ধরনের ভবন ধসে পড়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। একাধিক অঞ্চলে লোকজন আহত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ সাহায্যের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। জরুরি অবস্থা জারির পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্টের বিবৃতি ও কার্যক্রম
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ কর্তৃক জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তিনি একজন জেনারেলকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি জনগণের সম্মুখীন করা হয়েছে সর্বোপরি ঐক্যের আহ্বান। অপর পক্ষে, ভূমিকম্পে তাদের প্রিয়জন হারিয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি প্রাণহানির সংখ্যা উল্লেখ করেননি কিন্তু অনুমান করা হচ্ছে যে এ পরিস্থিতি চারপাশে এক লাখের বেশি মানুষকে বিপর্যয়ের মুখী করতে পারে। সেই সাথে, তিনি ভূমিকম্পের পরিণতি নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত করেছেন।
ভূমিকম্প ঘটার পর অনেক বিপর্যয় ঘটেছে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন অঞ্চলে। বিশেষ করে কারাকাসের কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং ধ্বংসের কারণে তার জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেখা দিয়েছে। সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে এবং সেই সাথে দুর্গম অঞ্চলগুলিতে সামান্য কর্মী ও প্রতিরক্ষা বাহিনী বিতরণ কাজে ব্যস্ত রয়েছে। সরকার বলছে যে জরুরি অবস্থা জারি করে প্রাণহানি ও বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দূর করতে পারে। এখন বিশেষ করে সেনা ও পুলিশ দ্বারা নানা ধরনের গৃহপা�