News

সভামঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ক্ষমা চাইতে হলো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে

সভামঞ্চে স্লোগানের প্রতিবাদ: মুক্তিযোদ্ধা ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন সভ মঞ চ জয় ব ল স - নওগাঁর নিয়ামতপুরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভায় সভামঞ্চে ‘জয় বাংলা’

Desk News
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সভামঞ্চে স্লোগানের প্রতিবাদ: মুক্তিযোদ্ধা ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন

সভ মঞ চ জয় ব ল স – নওগাঁর নিয়ামতপুরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভায় সভামঞ্চে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছন ও ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মানুষদের মধ্যে তীব্র বিতাড়িত হওয়ার পর ঘটনার প্রতিক্রিয়া উঠে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সূত্রে জানা যাচ্ছে, সভায় প্রতিবেদনের শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান সভার মাঝখানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে এবং এখন সেই স্লোগানের প্রতি প্রতিবাদ বিকশিত হচ্ছে।

স্লোগানের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে

বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন। তার পর তিনি স্লোগানটি দেন এবং পরে দুঃখ প্রকাশ করেন যে এটি ‘ভুলবশত’ হয়েছে। তবে সভার মধ্যে উপস্থিত মাকলাহাট গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন তার সহযোগীদের সঙ্গে আচরণ করেন যে অসৌজন্যমূলক হওয়া সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধাকে সবার সামনে মাইকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। ঘটনার পর তিনি বলেন, এটি স্লোগানের কোনো বিশেষ অপব্যবহার নয়।

প্রতিবাদের প্রকৃত কারণ কী?

হাজিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ জানান, আলাউদ্দিন বর্তমানে দলে কোনো সাংগঠনিক পদে নেই। তার অপব্যবহারের তথ্য রয়েছে যা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য প্রতিবাদ বিকশিত হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এর উপর মারামারি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযোদ্ধার স্বাধীনতা ও পরিচয়কে নিশ্চিয় রাখার প্রয়োজন ছিল।’

অভিযুক্ত আলাউদ্দিন তার যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে বলেন, স্লোগানের পর উপস্থিত সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। তিনি দাবি করেন যে অনেকেই প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। সভামঞ্চ সংক্রান্ত বিষয়ে বিতর্ক বাড়ছে এবং সভার ক্ষমা চাইতে হওয়া স্লোগানটি পরিচয় হারাচ্ছে বলে আরমান হোসেন রুমন অভিহিত করেন।

স্লোগানের মূল্য ও অপব্যবহারের সমালোচনা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বলেন, ‘রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। যে কোনো পরিস্থিতির কারণে এই স্লোগান দেওয়া হয়ত অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু সে স্বাধীনতার আবেদন করেছিলেন, তার জন্য এই স্লোগানটি অপরিহার্য ছিল। এখন তাকে সবার সামনে মাইকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা অত্যন্ত অপমানজনক।’ এ ঘটনা কেন্দ্র করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের আরও বিশেষ আবেদন করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘জয় বাংলা স্লোগানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এটি কেবল রাজনৈতিক লড়াই এবং স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। কিন্তু বর্তমানে এটি ক্ষমা চাই

Leave a Comment