বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন
ব চ র ব ভ গ র – ঢাকা বিভাগে কর্মরত বিচারকদের কাছ থেকে জানা গেছে যে তারা বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি ও বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এই দাবি তারা অনুষ্ঠানে জুন মাসে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে পেশ করেন, যেখানে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিচারকদের উপস্থিতি ছিল। তাদের দাবি বিচারকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট দূর করার জন্য অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়নের দরকার আছে। এছাড়াও ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তার প্রতি তারা আকুত হন।
অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অভিভাষণ দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে বিচার বিভাগের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। তার উল্লেখ করেন বিচারকদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডে-কেয়ার সেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচার বিভাগের জন্য সীমিত বরাদ্দ রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেখানে আদালত, সেখানে বিচার বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।”
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, “বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বৃদ্ধি সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার জন্য অপরিহার্য।”
২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য জাতীয় বাজেটে ২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য ৩৪৭ কোটি টাকা এবং সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সদস্যরা স্পষ্ট করে দেন যে আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে বিচার বিভা�