Economy

রেস্তোরাঁ-ক্যাটারিংয়ে অভিন্ন শুল্ককর ও স্ট্রিট ফুডে ভ্যাট বসানোর দাবি

রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং খাতে শুল্ককর সমান করার দাবি র স ত র ক য ট - শুক্রবার (১৯ জুন) বিজয়নগরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি প্রস্তাব

Desk Economy
Published June 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং খাতে শুল্ককর সমান করার দাবি

র স ত র ক য ট – শুক্রবার (১৯ জুন) বিজয়নগরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি প্রস্তাব দেয় যে রেস্তোরাঁ এবং ক্যাটারিং সার্ভিসের জন্য একই শুল্ককর বাস্তবায়নের প্রয়োজন। সংগঠনটি স্ট্রিট ফুডসহ সমস্ত প্রকার রেস্তোরাঁকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি জানায়। এ দাবি দিয়ে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার বৈষম্য দূর করার আবেদন রয়েছে।

সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, বর্তমানে রেস্তোরাঁ খাতে ভ্যাট শুল্ক ৫ শতাংশ এবং ক্যাটারিং সার্ভিসে এটি ১৫ শতাংশ। এই অসমান হারে আরোপ করা চলমান বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। তিনি তার দাবিতে রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং খাতে কর আবহাওয়া একই হয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন।

কর হ্রাস এবং শিল্প নীতির আবেদন

বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ উৎস কর ও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক পুরোপুরি হ্রাসের দাবি জানানো হয়। ইমরান হাসান বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব কর বহাল রাখা মানুষের আর্থিক বোঝা বাড়াবে।

“সরকার ঢাকার বাইরে রেস্তোরাঁ ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়ায় আমরা ধন্যবাদ জানাই। এতে নতুন উদ্যোক্তারা কর রেয়াত পাবেন।”

সমিতি চাই রেস্তোরাঁ শিল্পের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ নিশ্চিত করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় বিশেষ নির্দেশনা দেবে বলে তারা আশা করেন। আরও জরুরি বলে মনে করা হয় কর প্রশাসন সহজ ও স্বচ্ছ করে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে কর পরিশোধের সময় বাড়িয়ে তিনমাস করে বাজেট প্রস্তাব দেয় অর্থমন্ত্রী। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার জন্য মাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ ও রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবি জানানো হয়।

রেস্তোরাঁ খাতে লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করার জন্য একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করার প্রস্তাব রয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন সম্ভব হবে। তিনি আরও দাবি করেন যে রেস্তোরাঁ খাতকে একটি পৃথক শিল্পনীতি ঘোষণার আবেদন রয়েছে। এ দিয়ে লাইসেন্সিং, কর ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা ও উদ্যোক্তা সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমন্বিত কাঠামোতে গঠন করা যাবে।

Leave a Comment