National

ব্যাখ্যা দিলো বিজিবি / অমিত শাহর সঙ্গে বিজিবি ডিজির সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক নয়’

বিজিবি সাক্ষাৎকে গোপন বৈঠক হিসেবে উপস্থাপন করার প্রচার বিভ্রান্তিকর বলে দাবি ব য খ য দ ল ব - বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ভারতের কেন্দ্রীয়

Desk National
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিজিবি সাক্ষাৎকে গোপন বৈঠক হিসেবে উপস্থাপন করার প্রচার বিভ্রান্তিকর বলে দাবি

ব য খ য দ ল ব – বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্গে সাক্ষাৎকে ‘গোপন বৈঠক’ বলে উপস্থাপন করার চেষ্টা বিভ্রান্তিকর ও অযোগ্য বলে জানায়। বাহিনীটি দাবি করে যে সাক্ষাৎটি ছিল পূর্বনির্ধারিত ও অনুমোদিত একটি সৌজন্য বৈঠক, যা সীমান্ত সম্মেলনের কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ। সোমবার (১৫ জুন) রাতে বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয় যে বর্তমানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সম্মেলনের বিষয়ে ভুল ধারণা ছড়ানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের এজেন্ডা ও আলোচনা সম্পর্কে বিজিবি

৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে ৩১টি এবং ভারতের পক্ষে ২১টি এজেন্ডা আলোচিত হয়। আলোচনার ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশনস (জেআরডি) নামে একটি আনুষ্ঠানিক নথিতে অন্তর্ভুক্ত হয়। বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক স্বাক্ষর করেন।

বিজিবি দাবি করেছে, আয়োজক দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক সম্মেলনের সাধারণ কূটনৈতিক রীতি। সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বিষয়ে বাংলাদেশের ভূমিকা স্পষ্ট ছিল।

আলোচনার গুরুত্ব এবং সৌজন্য বৈঠকের প্রকৃতি

বিজিবি জানায় যে সাক্ষাৎটি ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক চোরাচালান সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচনার জন্য একটি কূটনৈতিক বৈঠক। মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাহিনীর অংশগ্রহণকারী ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্গে সাক্ষাৎ পূর্বনির্ধারিত ছিল। এ সাক্ষাৎে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরীহ ও নিরস্ত্র অবস্থায় প্রাণহানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার বিষয়ে উদ্বেগ আলোচিত হয়।

তথ্য প্রচার ও সাংবাদিকতার গুরুত্ব

বাহিনীটি আরও বলে যে সীমান্ত নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা মনে করে যে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার এবং শীর্ষ নেতৃত্বকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার চেষ্টা বাহিনীর মনোবল ভাঙার প্রচেষ্টা।

বিজিবি আরও উল্লেখ করেছে যে সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন, মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধ, মিয়ানমার সীমান্তের অস্থিতিশীলতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ সম্পর্কে তাদের ভূমিকা সুনিশ্চিত করেছে।

Leave a Comment