পারিবারিক কলহ নিরসনে বসা সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ব্যক্তি
প র ব র ক কলহ ন – পারিবারিক কলহ নিরসনের লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়া এলাকায় ঘটনা ঘটে। প্রতিপক্ষের হামলার ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে প্রবেশ করা হয়েছে প্রাণহানির ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন। ঘটনাটি কেন্দ্রে কী সাংঘাতিক সংঘটন ঘটেছে তা পরিষ্কার হয়েছে বলে জানান স্থানীয় সূত্র।
সালিশ বৈঠকে পরিবার বিরোধের বিস্তার
পারিবারিক কলহ নিরসনের লক্ষ্যে বৈঠকে আসা জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ও তার পরিবার সদস্যদের এক বিস্তৃত বিতর্ক ঘটে। জাহাঙ্গীর আলম ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদের প্রার্থী ছিলেন। এলাকার বাসিন্দারা জানান যে প্রায় পাঁচ বছর আগে তাঁর ভাতিজির সাথে সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহ একটি বিয়ে করেন। সেই থেকে পারিবারিক কলহের বিস্তার ঘটে। এ কলহ আরও জটিল হয়ে যায় যখন মোহাম্মদ আলীর পরিবার আতাউল্লাহ পরিবারের বিরুদ্ধে নিষ্ঠাপনের জন্য বৈঠকে উপস্থিত হন।
বৈঠকের সময় দুই পক্ষের বিতর্ক চূড়ান্ত পরিস্থিতিতে পরিণত হয়। প্রতিপক্ষের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র সাহায্যে হামলা চালিয়ে যায়। এ হামলায় জাহাঙ্গীর আলম ও তার সাথীদের মধ্যে ধাক্কা হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে তিন ব্যক্তি আহত হন। প্রতিপক্ষের হামলার সংঘটনে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে তাঁদের গ্রাহ্য করা হয়।
পারিবারিক কলহ সমাপনের প্রচেষ্টার মধ্যে বৈঠক বসার পর বিতর্ক ধাক্কার দিকে পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী হামলার সময় বৈঠকে গৃহিণীদের অনুপস্থিতি ছাড়া পুরুষ সদস্যদের কাছে কর্মী কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার সমালোচনা করেছেন। সালিশ বৈঠকে পরিবারিক কলহ নিরসনের ব্যবস্থা ছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশ ও আইনি পদক্ষেপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে আহতদের উদ্ধা�