তরুণীর প্রেমের আবেগ শরীয়তপুরে পঞ্চাশোর্ধ্ব নাগরিককে নিয়ে বিবাহের অনুষ্ঠান
তর ণ র প র ম র – শরীয়তপুরের জাজিরার মূলনা ইউনিয়নে বিয়ের উপলক্ষে খুশি পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে বেশ উত্তেজনা ছড়ায় পঞ্চাশোর্ধ্ব দুবাইয়ের নাগরিক সলেমান ও বাংলাদেশি তরুণী সুবর্ণা (২০) এর প্রেমের কাহিনী। দুই বছর আগে ফারুক খানের মেয়ে সুবর্ণা কাজের কারণে আবুধাবিতে চলে গেছিলেন এবং সেখানে পার্কে ঘুরতে যাওয়ার সময় স্থানীয় সলেমান সহ পরিচয় হয়।
তিন দিন আগে সুবর্ণার পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে সলেমান বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দুই পরিবারের সম্মতিতে রোববার (১৪ জুন) রাতে জমকালো গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে সোমবার (১৫ জুন) বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। এটি অনুষ্ঠানে নিজের খরচে প্রায় দেড় হাজার আত্মীয় স্বজনকে সমাহার করে সুবর্ণার পরিবার।
দুই দেশের মানুষের প্রেমের অভিজ্ঞতা সমাজে আলোচনার জন্ম দিয়েছে
অনেকে সুখী দাম্পত্য জীবন কামনা করেছেন নবদম্পতিদের। কিন্তু হঠাৎ করে পরিচয় ছাড়া এমন বিবাহে কিছু মানুষ দ্বিমত প্রকাশ করেন। নবদম্পতির সুখের ভবিষ্যতে প্রাণপণ আশা জানিয়েছেন বিয়ের পিঁড়ি নিয়ে সুবর্ণার পরিবার।
“নাতিন দুবাই গেছিল। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। সে বাংলাদেশে ফিরে আসে আমাকে বিয়ে করেছে। আমরা অনেক খুশি,” বলেন সুবর্ণার নানি ফুলজান বিবি।
রুবিনা বেগম নামের এক নিকটাত্মীয় বলেন, “দুই বছর আগে মেয়ে বিদেশে চলে গেছে, সেখান থেকে পোলার সঙ্গে পরিচয় হয়। পোলার মাইয়া-পোলার পছন্দ করে বিয়ে করেছে। পোলার নিজে খরচপাতি করে মেয়ে নিতে এসেছে। আমরা চাই তারা ভালো থাকুক,”
প্রেমের গল্পটি সামাজিক মাধ্যমে বিস্তার পেয়েছে যেখানে অনেকে দুবাইয়ের ছেলে বাংলাদেশে বিয়ে করতে আসার কথা বলছেন। তবে এই বিবাহ কতদিন পর্যন্ত স্থায়ী হবে তা সম্পর্কে কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেন।
বরকত মোল্লা নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “মাঝেমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখি বিদেশি ছেলে বাংলাদেশে প্রেমের টানে চলে আসে এবং বিয়ে করে। সেই বিয়ে কতদিন পর্যন্ত টিকে সেটি আসলে জানি না। হতে পারে এগুলো প্রতারণার ফাঁদ,”
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালেহ আহম্মেদ বলেন, “এমন এধরণের কোনো খবর পাইনি। বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারবো।”
বিধান �