বেনজীরের বিরুদ্ধে ‘পাহাড়সম’ অভিযোগ
ব নজ র র ব র দ – বেনজীর আহমেদ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের কালে দুবাইয়ে গ্রেফতার হন। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পুলিশের শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হিসেবে কাজ করতেন। এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযোগের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ
মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় বেনজীরের মানুষের কল্পনাকে নিয়ে প্রমাণ সামনে আসে। তার পুলিশ কর্মকর্তারী পরিচয়ে জীশান মীর্জার আয়ের বিষয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠে। দুদকের তদন্তে তার স্ত্রী ও পরিবারের বিরুদ্ধে প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ আবিষ্কৃত হয়।
“২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্বরে ঘটিত হত্যাকাণ্ডে মোট ৫৮ জন নিহত হয়েছিল।”
তিনি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দুদকের তদন্তে বেনজীরের বিরুদ্ধে মোট প্রায় ১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়। বলা হয় তিনি ঋণের নামে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহার করেন।
অপরাধের প্রমাণ ও আদালতি নথি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বেনজীর আহমেদ আসামি হিসেবে রয়েছেন। ওই ট্রাইব্যুনালের মামলায় মোট ১৭ জন অভিযুক্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং এর জন্য আসামি হিসেবে চিহ্নিত হন।
তিনি ২০১৯ সালে ডিবিএ প্রোগ্রাম থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি নেওয়ার পর পরিচিতি হিসেবে ‘ড. বেনজীর আহমেদ’ ব্যবহার করেন। অভিযোগ ওঠে তার ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ না করেও ভর্তি হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ডিগ্রি স্থগিত করেন।
পাসপোর্ট নবায়ন ও আন্তর্জাতিক অভিযোগ
২০১৬ সালে র্যাবের কর্মকর্তারী সময়ে বেনজীর আহমেদ তথ্য গোপন করার অভিযোগে জড়িত হন। সেই বিষয়ে প্রশাসনিক আপত্তি ছিল, তবু তাকে দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
২০২৪ সালের ৪ মে তিনি দেশ ছাড়েন বলে দুদক সূত্রে দাবি করা হয়। আদালত থেকে বেনজীরের বিরুদ্ধে সম্পদ জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। তদন্তে গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট, ত্রিশটি ব্যাংক হিসাব, নব্বইটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিপর্যয়ের চিহ্ন