পাবনার ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তের বাড়ি-দোকানে আগুন
প বন য় ছ ত র ক – পাবনার ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ঘটানোর অভিযোগে বিক্ষোভের ফলে আড়িয়াডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে ছাত্রীদের মিলিত হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগানো হয়। ঘটনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা আতাইকুলার অঞ্চলে দৃঢ় অবস্থায় পৌঁছেছিল, কিন্তু সেখানে পুলিশের অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আতাইকুলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিল, এবং অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনা পাবনায় সমাজ সম্পর্কে নতুন আলোচনার উপদ্রব তৈরি করেছে।
আতাইকুলায় ঘটনার প্রতিক্রিয়া
গত ১১ জুন স্কুল ছুটির পর আড়িয়াডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বাড়ি ফিরছিলেন। পথে অভিযুক্ত আবুল কাশেম তাকে ডেকে নিজের দোকানে স্বাক্ষর করে শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন। পরে তার পরিবার ঘটনার প্রতিবাদে আতাইকুলা থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষকদের ও ছাত্রীদের মানববন্ধন করে প্রতিবাদের মানববন্ধনে অংশ নেয়। পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে যাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিরাপত্তি ব্যবস্থা নেয়।
আতাইকুলা থানার পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতার সম্মুখে ঘটনার স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছিলেন। তাদের প্রতিবাদ আড়িয়াডাঙ্গী বাজারে প্রায় সামগ্রিকভাবে ঘটেছিল, কিন্তু অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। বিক্ষোভের সময় ছাত্রীদের সাথে অভিযুক্তের সম্পর্ক ছিল না কিন্তু ঘটনার প্রতিক্রিয়া তাদের নিরাপত্তি কম হওয়ার পর দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর হয়।
ছাত্রীদের আক্রমণ ও পুলিশ বিক্ষোভ
এ ঘটনার প্রতিবাদে আড়িয়াডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যাল