নো-ফ্রিলস হিসাবে সঞ্চয় গৃহীত পরিমাণ ও অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে
স বল প আয় র ম ন – বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কম আয়ের মানুষের জন্য স্থাপন করা হয়েছিল দশক, পঞ্চাশ ও শত টাকার নো-ফ্রিলস ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোতে আমানত ও হিসাব সংখ্যা উভয়েই অনুমান করা যায় বৃদ্ধি ঘটেছে। এক বছরে এসব হিসাবে আমানত বেড়েছে ৫১৯ কোটি টাকা এবং অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ১১৯টি।
২০১০ সালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবা প্রবেশ করানোর জন্য সরকার দশক, পঞ্চাশ ও শত টাকার বিশেষ হিসাব চালু করে। নো-ফ্রিলস হিসাবগুলোতে কোনো ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখার আবশ্যকতা ও সার্ভিস চার্জ নেই। ফলে কৃষক, পোশাকশ্রমিক, অতি দরিদ্র মানুষ এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগী সম্প্রতি এ সুবিধা ব্যবহার করছেন।
এসব হিসাবে সাধারণ সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট তুলনায় বেশি সুদ প্রদান করা হয়। চলতি বছরের মার্চ শেষে নো-ফ্রিলস হিসাবগুলোতে মোট আমানত ছিল ৫ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা যা ডিসেম্বর শেষে ছিল ৫ হাজার ১১৬ কোটি টাকা। তিন মাসে এ আমানত বৃদ্ধি পেয়েছে ২৯১ কোটি টাকা বা ৫.৪৮ শতাংশ।
একই সঙ্গে অ্যাকাউন্ট সংখ্যার তুলনায় বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২৫ সালের মার্চ শেষে নো-ফ্রিলস হিসাবের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭০টি যা ডিসেম্বর শেষে বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৯টি। অর্থাৎ এক বছরে নতুন হিসাব যুক্ত হয়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ১১৯টি।
সাম্প্রতিক মার্চ শেষে ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, গত বছরের রাজনৈতিক ও আর্থিক অস্থিরতার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় মানুষের ব্যাংক খাতে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। ফলে সঞ্চয় করার জন্য নিম্ন আয়ের মানুষ আবার ব্যাংকে আগ্রহী হচ্ছেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের রিসার্চ ফেলো ব্যাংক খাত গবেষক এম হেলাল আহমেদ জনি বলেন, নো-ফ্রিলস হিসাবে আমানত ও হিসাব বৃদ্ধির প্রবণতা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ইতিবাচক প্রতিফলন। সরকারি ভাতা, কৃষি সহায়তা, শ্রমিকদের মজুরি এবং প্রবাসী আয়ের একটি অংশ ব্যাংক হিসাবে বিতরণ হওয়ায় এসব হিসাবে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ন্যূনতম জমা বা সার্ভিস চার্জ না থাকার ফলে এবং তুলনামূলক বেশি সুদের সুবিধা দেওয়ায় সঞ্চয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। আগে যারা নগদ অর্থ বা অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে সঞ্চয় করতেন, ত