জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় / এমফিল-পিএইচডি গবেষণায় দ্বিগুণ অর্থ পাবেন শিক্ষকরা
গবেষণার আর্থিক সমর্থনে গুরুত্ব দেওয়া হল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক পদক্ষিপ্ত পরিচালনার প্রতিশ্রুতি
জ ত য় ব শ বব দ – জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত গবেষণা কর্মশালায় এমফিল এবং পিএইচডি গবেষণার জন্য শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। সিনেট হলে সংগ্রামী সভাপতিত্বে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ কর্মশালার উদ্বোধনী অংশে সেই ঘোষণা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের আর্থিক সমর্থনের সাথে সাথে বই প্রকাশ ও প্রকাশনার জন্য দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করা হবে। এ পরিবর্তন গবেষণা কাজে অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করছে।
অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশে গবেষণা ক্ষেত্রে আমাদের দুর্বল অবস্থান রয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিশাল অর্থ বরাদ্দ করছে। এই পরিবর্তন গবেষণার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের কাজের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে।”
গবেষণা কর্মশালার প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্দেশ্য
গবেষণা কর্মশালাটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল-আইকিউএসি দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। কর্মশালার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মোহাম্মদ আব্দুর রহমান। তিনি সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ ড. এ টি এম জাফরুল আযম। এই সভায় উল্লেখ করা হয়েছে যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে শিক্ষকদের আর্থিক সমর্থন এবং প্রকাশনা প্রক্রিয়া উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম ব্যাপক করছে।
কর্মশালায় মূল বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল রিসার্চ-বিআইএসআর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. এম খুরশেদ আলম। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল গবেষণার মান উন্নয়ন এবং প্রকাশনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্মেলন আয়োজন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দিবস এবং প্রতিমাসে দুই বা ততোধিক গবেষণা কর্মশালা আয়োজন করার আবশ্যকতা বলেন।
শিক্ষকদের আর্থিক সমর্থন সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে