খুলনার মাছের বাজারে উল্লেখযোগ্য দাম বৃদ্ধি
খ লন য় সবজ ত স বস – খুলনায় সবজি এবং মুরগির মাংসের দাম ব্যবহারকারীদের পক্ষে সহজ ছিল। কিন্তু দুই সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের মাছের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাজারগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে।
মাছের দাম উন্নতি করছে কেন?
রোববার (১৪ জুন) সকালে খুলনার গল্লামারি বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার এবং নতুন বাজারে মাছের দাম তুলনা করা হয়েছে। এখানে প্রতি কেজি রুই ২৫০-২৮০ টাকায়, কাতল ২৪০-২৫০ টাকায়, ভেটকি ৪০০-৪৫০ টাকায়, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকায়, ছোট চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকায়, টেংরা ৫০০-৭০০ টাকায় এবং টাকি ২২০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ও পাঙাশ কেজি দরে ১৬০-১৮০ টাকা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। সামুদ্রিক মাছের দামও বেড়েছে।
নতুন বাজারের মাছ বিক্রেতা সাইদুল বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজারে ক্রেতা সংখ্যা কমে গেছে। আড়তদাররা বাড়তি দামে মাছ বিক্রি করছে। ঘেরের মাছের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ছোট মাছ কেজি দরে ৩০০ টাকার নিচে আসেনি। যাতায়াত খরচ এবং বরফ খরচ বেড়েছে। এজন্য মাছ বিক্রি করে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।’
আড়তদার হানিফ শেখ বলেন, ‘মোকামে মাছ নাই বললেই চলে। পাকা হিসাবে আমরা মাছ আনি। সেই পাকা হিসাবেই সামান্য লাভে বিক্রি করি। নইলে খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীদের লাভ করতে পারবে না।’
সবজি বাজারে দাম স্থিতিস্থাপন
সবজি বাজারে দাম কিছু কিছু উপাদানের ক্ষেত্রে কম থাকলেও সাধারণ পরিস্থিতি স্থিতিস্থাপন করেছে। এখানে বেগুন ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৪০-৫০ টাকা, কুশি ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০-১০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, পেঁপে এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গল্লামারি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী একরামুল হক বলেন, ‘সবজির দাম মোটামুটি স্বাভাবিক। তবে এখন প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু ধরনের সবজির দাম বেশি হলেও এরকম দাম সবসময় থাকে।’
নতুন বাজারে আসা ক্রেতা এহসানুল ইসলাম বলেন, ‘সবজির দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে আছে। মুরগির মাংসের দামও কম। কিন্তু মাছের দাম তুলনামূলক বেশী। এতে মাছের বাজারে নতুন ক্রেতা আসছে না।’
ক্রেতা শাহিনুর আলম বলেন, ‘মাংসের থেকে মাছের চাহিদা আমাদের দেশে বেশি। সামুদ্রিক ছোট মাছের দাম অনেক। কিন