হাজার তরুণ এআই ব্যবহার করে সমস্যা সমাধানের সাধনা করেছেন
এআই দ য ব স তব সমস – গতকাল শুক্রবার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সমাপন করেছিল দেশের সবচেয়ে বৃহৎ এআই হ্যাকাথন অনুষ্ঠান বিল্ডফেস্ট ২০২৬। এই কর্মসূচিতে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীদের দলগুলো পাঁচটি বিষয়ক্ষেত্রে কাজ করেছে— এডটেক, মারটেক, হেলথটেক, ই-কমার্স এবং ইনফোটেক। ক্লাউডক্যাম্প বাংলাদেশ ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির যৌথ আয়োজনে সর্বসাধারণ প্রতিযোগিতা হিসেবে এআই প্রযুক্তির সৌরভ পরিষ্কার করে তুলেছিল।
অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্য থেকে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়েছিল ২০৮টি দল। এসব দলের সদস্যদের সমবেত করা হয়েছিল একই স্থানে, যেখানে তারা রিয়েল-ওয়ার্লড এবং প্রোডাকশন-রেডি সমাধান তৈরি করেছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়ন করেন ১১টি বিশেষজ্ঞ প্যানেল। বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে প্রথম স্থানে পাঁচ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থানে তিন লাখ এবং ভাইব কোডিং টু প্রোডাকশন চ্যালেঞ্জ বিজয়ীদের পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সমাপন করেছে প্রধান অতিথি
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নজরুল ইসলাম অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “প্রতিটি উদ্ভাবন এবং সমাধান যেন সরাসরি দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়, তা করে তুলতে হবে। বাংলাদেশের তরুণরা এআই ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা প্রমাণ করেছে।”
সফল দলগুলোর সমাধান পরিদর্শন করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা
এআই বিল্ডফেস্ট আয়োজনে সারাদেশ থেকে এতে অংশ নিয়েছিল ৩ হাজার ৫ শতাধিক অংশগ্রহণকারী। এদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় শেষ পর্বে উপস্থাপন করা হয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আধা-আধা সমাধান। রেজিস্ট্রার ড. ডেইভ ডাউল্যান্ড এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা দলগুলোর কাজের পরিচয় দেখে অভিভূত হন।
বিজয়ী দলগুলো কে কী পেয়েছিল
অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মোট স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে প্রথম স্থানে পাঁচ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থানে তিন লাখ এবং ভাইব চ্যালেঞ্জে বিজয়ীদের পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছিল। সকল বিজয়ী দল পেয়েছে স্মারক এবং গ্লোবাল শোকেস প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ।
“আজকের অনুষ্ঠান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এআই হ্যাকাথন। এটি কেবল ইভেন্ট নয়, এটি এআই ভবিষ্যতের সূচনা।” – মোহাম্মদ মাহদী-উজ-জামান
বিশেষ অতিথি ড. ডেইভ ডাউল্যান্ড বলেন, “প্রতিযোগিতায় তরুণদের মেধা, পরিশ্রম এবং উদ্ভাবনী চিন্তা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এআই হ্যাকাথনে সহযোগী হতে পেরেছি এটা আমার গর্বের বিষয়।”