বাজার মূলধন কমলো প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা
ব জ র ম লধন কমল প – গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে বেশি বেড়েছে অস্থিরতা। সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে তিনটি দিন দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দুই দিন হ্রাস হয়েছে। ফলে সপ্তাহের মোট মূল্যসূচক উত্থানে সম্পৃক্ত হয়েছে। গড় লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিপরীতে প্রধান মূলধনের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সপ্তাহে প্রায় ২ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা কমে গেছে। সপ্তাহের শেষ দিনে এটি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ১০ কোটি টাকা হিসাবে। আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯২ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গতিবিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি সপ্তাহজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ৪৫ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বৃদ্ধি পেয়েছে ২১০ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ১ শতাংশ।
অন্যান্য মূল্যসূচকের পরিবর্তন
ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বা ৫১ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৯ দশমিক ৫১ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহে বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা ২২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭২ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
টাকার অঙ্কে লেনদেন
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ১৫৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৪০ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের সর্বাধিক পরিমাণ সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে হয়েছে। পরবর্তী স্থানে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার রয়েছে। তৃতীয় স্থানে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ার রয়েছে।
লেনদেনের শীর্ষ দশটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা হলো:
- সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স
- সামিট এলায়েন্স পোর্ট
- আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- জেনেক্স ইনফোসিস
- পিপিলস ইন্স্যুরেন্স
- এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- বিডি থাই ফুড
- আইপিডিসি ফাইন্যান্স
- ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং
- এনসিসি ব্যাংক