পদ্মায় নিখোঁজ দুই শিশুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার
ঘটনার প্রতিবেদন
পদ ম য় ন খ জ দ – পদ্মায় নিখোঁজ দুই শিশুর মধ্যে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাঘডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখের আলী গ্রামে ঘটে এই দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে দুই শিশু পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হয়ে গেলে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আলোচ্য ঘটনায় তদন্ত চালু রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত একটি শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে। অপর শিশু অনুসন্ধানে অভিযান চলছে।
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদ্বয়ের মধ্যে একজন বয়স্ক মেয়ে জেসমিন খাতুন (৮) উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জহুরুল ইসলামের সন্তান। অপর শিশু ইসরাত (৭) এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাখের আলী গ্রামে এই ঘটনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নদীতে গোসলে নেমে দুই শিশু অনুপস্থিত হয়। তাদের খোঁজ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আবেদন করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাঈদ হাসান শুভ জানান, এখন পর্যন্ত পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদ্বয়ের মধ্যে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জেসমিন খাতুন নামে পরিচিত। অপর শিশু ইসরাত এখনো খুনি খোঁজা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সম্প্রদায় এই ঘটনার প্রতি গুরুতর দৃষ্টি দিচ্ছে।
অভিযানের প্রক্রিয়া
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদ্বয় খুঁজতে স্থানীয় সদস্যদের সহায়তার পর ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। সংঘটিত ঘটনার সময় সেখানে মাত্র কয়েক জন আবাসন ছিল। এর পর বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে সাহায্য চাইতে সংস্থাগুলো সংযুক্ত হয়। পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদ্বয়ের খোঁজে স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদন করা হয়েছে।
পদ্মায় নিখোঁজ ঘটনার পর বিশেষ করে সন্ধ্যার পর অভিযান বৃদ্ধি পেয়েছে। বাখের আলী গ্রামে নদী ধারে আবাসন প্রায় সবগুলো ঘরের মালিক সাহায্য করতে অনুমতি দিয়েছেন। যারা ঘটনার স্থানে নিখোঁজ ছেলেমেয়েদের খুঁজছেন তাদের কাছে কোনও হুমকি বা বিপদের প্রতিকূল সূত্র পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য সংস্থাগুলো পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদের খুঁজতে সম্প্রতি ঘটনার পর জেসমিন খাতুনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুদ্বয়ের মধ্যে একজন কিছুক্ষণ পর খুনি খোঁজা হয়। তদন্তকারীদের মতে, কোনও প্রাথমিক হুমকি বা বিপদ বিষয়ে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। �